ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস শিল্প বাঁচলে মজুরি বাড়বে, অহেতুক প্ররোচনায় না পড়ে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান শ্রম মন্ত্রীর মেগা প্রকল্প নয়, জনগণের প্রয়োজনই অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ফুটবলে নজিরবিহীন ঘটনা: এক ম্যাচে ৫১ লাল কার্ড, ছাড়িয়ে গেল আগের রেকর্ড কাল থেকে সেন্টমার্টিনে যাচ্ছে পর্যটকবাহী তিন জাহাজ মান ও শর্ত পূরণ ছাড়া মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রীর বৈঠক ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৮৬৬

দেশীয় মাছের সুরক্ষা ও উৎপাদন বাড়াতে জোর দিলেন মৎস্য উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 656

ছবি সংগৃহীত

 

দেশীয় প্রজাতির মাছ আজ বিলুপ্তির মুখে, আর তাই এগুলো রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেন, “দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে দেশীয় মাছের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু বিলুপ্তপ্রায় মাছ সংরক্ষণ নয়, সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা মাছের উৎপাদনও বাড়াতে হবে।”

আরও পড়ুন  দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে শিবগঞ্জে পোনামাছ অবমুক্ত

বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC) অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালাটির আয়োজন করে মৎস্য অধিদপ্তর, যার বিষয় ছিল ‘সরকারি মৎস্য খামারসমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অবহিতকরণ’।

ফরিদা আখতার বলেন, “আমাদের দেশে অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করছে ঠিকই, তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা পরিকল্পনাবিহীনভাবে হচ্ছে। এর ফলে যেমন উৎপাদনে ক্ষতি হয়, তেমনি পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। এজন্য মৎস্য কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হতে হবে, চাষিদের সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্বাদ ও পুষ্টিগুণে দেশীয় মাছ অতুলনীয়। ছোট-বড় সবার কাছে প্রিয় এই প্রাণিজ আমিষ আমাদের সাংস্কৃতিক ও খাদ্য ঐতিহ্যের অংশ। পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত প্রজাতির দেশীয় মাছ নেই। সেগুলো রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।”

কর্মশালায় আরও বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) তোফাজ্জেল হোসেন এবং অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান। সভাপতিত্ব করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ।

বক্তারা বলেন, একসময় দেশের ৯০ শতাংশ মাছ দেশীয় উৎস থেকে আসত, কিন্তু এখন তা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। দেশীয় মাছের সংরক্ষণ এবং চাষযোগ্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে মৎস্য কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চাষিদেরও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকার এসব প্রকল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এজন্য সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান উপদেষ্টা।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশীয় মাছের সুরক্ষা ও উৎপাদন বাড়াতে জোর দিলেন মৎস্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

দেশীয় প্রজাতির মাছ আজ বিলুপ্তির মুখে, আর তাই এগুলো রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সঠিক পরিকল্পনার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি বলেন, “দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে দেশীয় মাছের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু বিলুপ্তপ্রায় মাছ সংরক্ষণ নয়, সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা মাছের উৎপাদনও বাড়াতে হবে।”

আরও পড়ুন  মৎস্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি: অসাধু ব্যবসায়ীদের ছাড় নয়

বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC) অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালাটির আয়োজন করে মৎস্য অধিদপ্তর, যার বিষয় ছিল ‘সরকারি মৎস্য খামারসমূহের সক্ষমতা ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অবহিতকরণ’।

ফরিদা আখতার বলেন, “আমাদের দেশে অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করছে ঠিকই, তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা পরিকল্পনাবিহীনভাবে হচ্ছে। এর ফলে যেমন উৎপাদনে ক্ষতি হয়, তেমনি পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। এজন্য মৎস্য কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হতে হবে, চাষিদের সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্বাদ ও পুষ্টিগুণে দেশীয় মাছ অতুলনীয়। ছোট-বড় সবার কাছে প্রিয় এই প্রাণিজ আমিষ আমাদের সাংস্কৃতিক ও খাদ্য ঐতিহ্যের অংশ। পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত প্রজাতির দেশীয় মাছ নেই। সেগুলো রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।”

কর্মশালায় আরও বক্তৃতা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) তোফাজ্জেল হোসেন এবং অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান। সভাপতিত্ব করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ।

বক্তারা বলেন, একসময় দেশের ৯০ শতাংশ মাছ দেশীয় উৎস থেকে আসত, কিন্তু এখন তা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। দেশীয় মাছের সংরক্ষণ এবং চাষযোগ্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে মৎস্য কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চাষিদেরও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকার এসব প্রকল্পকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এজন্য সবধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান উপদেষ্টা।