ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

বিদায়বেদায় আবেগাপ্লুত মেসি, অশ্রুসিক্ত ভক্তরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 49

ছবি সংগৃহীত

 

আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই দশকের বেশি সময় ধরে খেলেছেন লিওনেল মেসি। অসংখ্য সাফল্য ও স্মৃতি উপহার দেওয়া সেই পথচলার শেষ অধ্যায়ের আবেগঘন মুহূর্ত দেখা গেল মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে।

বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ের পর সেখানে আয়োজন করা হয় ড্রোন শো ও সংগীত পরিবেশনের। এরপর ৮৫ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে মাইক্রোফোন হাতে নেন মেসি।

আরও পড়ুন  আর্জেন্টিনার যে পরিকল্পনা মেসির বিদায়ী ম্যাচ নিয়ে

কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে, চোখে পানি চলে আসে। বক্তব্যের শুরুতেই বাবার কথা স্মরণ করেন তিনি।

মেসি বলেন, জাতীয় দলের হয়ে খেলতে আসা তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর বিষয়গুলোর একটি। তিনি কখনো লড়াই থামাননি। তাই জাতীয় দলের হয়ে আর খেলতে না পারাটা তার জন্য কষ্টের হবে। জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি এখানে আসতে চেয়েছেন বলেও জানান।

পরে মেসি বলেন, ২০ বছরের বেশি সময় আর্জেন্টিনার জার্সি পরতে পেরে তিনি গর্বিত। কঠিন সময়ের মধ্যেও জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারা তার কাছে বিশেষ সম্মানের।

বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথাও উল্লেখ করেন মেসি। তিনি বলেন, ফাইনালে কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেনি। তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলেছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিও তাদের জন্য কঠিন ছিল বলে জানান তিনি।

বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ উঠতেই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে গ্যালারি। দর্শকরা ‘চ্যাম্পিয়ন, এগিয়ে চলো’ স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্লোগান ‘যে লাফাবে না, সে ইংলিশ’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

দর্শকদের সঙ্গে যোগ দেন মেসির সতীর্থরাও। তারা লাফিয়ে উঠে অধিনায়ককে ঘিরে আনন্দ-উল্লাস করেন। মেসির বিদায় মুহূর্তে পুরো মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম পরিণত হয় আবেগ আর ভালোবাসার এক বিশাল মিলনমেলায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদায়বেদায় আবেগাপ্লুত মেসি, অশ্রুসিক্ত ভক্তরা

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

 

আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই দশকের বেশি সময় ধরে খেলেছেন লিওনেল মেসি। অসংখ্য সাফল্য ও স্মৃতি উপহার দেওয়া সেই পথচলার শেষ অধ্যায়ের আবেগঘন মুহূর্ত দেখা গেল মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে।

বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ের পর সেখানে আয়োজন করা হয় ড্রোন শো ও সংগীত পরিবেশনের। এরপর ৮৫ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে মাইক্রোফোন হাতে নেন মেসি।

আরও পড়ুন  মেসি নন, মিলেই আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’: নেতানিয়াহু

কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে, চোখে পানি চলে আসে। বক্তব্যের শুরুতেই বাবার কথা স্মরণ করেন তিনি।

মেসি বলেন, জাতীয় দলের হয়ে খেলতে আসা তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর বিষয়গুলোর একটি। তিনি কখনো লড়াই থামাননি। তাই জাতীয় দলের হয়ে আর খেলতে না পারাটা তার জন্য কষ্টের হবে। জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি এখানে আসতে চেয়েছেন বলেও জানান।

পরে মেসি বলেন, ২০ বছরের বেশি সময় আর্জেন্টিনার জার্সি পরতে পেরে তিনি গর্বিত। কঠিন সময়ের মধ্যেও জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারা তার কাছে বিশেষ সম্মানের।

বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথাও উল্লেখ করেন মেসি। তিনি বলেন, ফাইনালে কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেনি। তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলেছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটিও তাদের জন্য কঠিন ছিল বলে জানান তিনি।

বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ উঠতেই উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে গ্যালারি। দর্শকরা ‘চ্যাম্পিয়ন, এগিয়ে চলো’ স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্লোগান ‘যে লাফাবে না, সে ইংলিশ’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

দর্শকদের সঙ্গে যোগ দেন মেসির সতীর্থরাও। তারা লাফিয়ে উঠে অধিনায়ককে ঘিরে আনন্দ-উল্লাস করেন। মেসির বিদায় মুহূর্তে পুরো মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম পরিণত হয় আবেগ আর ভালোবাসার এক বিশাল মিলনমেলায়।