তারেক রহমানকে বরণে প্রস্তুত সিলেট
- আপডেট সময় ০৯:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
- / 24
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক সফরে সিলেট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের এই সফরকে কেন্দ্র করে আধ্যাত্মিক নগরী সিলেটে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। রাস্তাঘাট মেরামত, সৌন্দর্যবর্ধন এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে নগরীকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। বেলা ১১টায় নগরীর চাঁদনীঘাট এলাকায় সিলেট সিটি করপোরেশনের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন ও সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন তিনি।
এই প্রকল্পের আওতায় সুরমা নদীর তীরে প্রতিরক্ষা বাঁধ, ওয়াকওয়ে এবং স্লুইসগেট নির্মাণ করা হবে।
দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয়ে জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসিয়া নদী খননকাজের উদ্বোধন করবেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খালটি উদ্বোধন করেছিলেন। এরপর বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন এবং বিকেল ৫টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় সভায় অংশ নেবেন তিনি। সন্ধ্যা ৭টায় তার ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাসিয়া নদী পুনঃখনন ও সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্য ওভারসিজ সেন্টার ও প্রবাসী কল্যাণ ভবনের উদ্বোধনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভেন্যুগুলোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হবে।
নিরাপত্তার বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী জানান, সফরকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ডিবি ও সিটিএসবিসহ একাধিক গোয়েন্দা ইউনিট মাঠে কাজ করছে। ভিভিআইপি নিরাপত্তার স্বার্থে নির্ধারিত রুট ও ভেন্যুর ৫০০ মিটার পরিধি এবং দুই কিলোমিটার উচ্চতায় ড্রোনসহ সব ধরনের উড্ডয়ন যান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দিন-রাত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সুরমা নদীকেন্দ্রিক মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।














