ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

মগবাজার একটি বাসা থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 564

ছবি : সংগৃহীত

 

রাজধানীর মগবাজার এলাকার একটি বাসা বাড়ি থেকে শম্পা আক্তার (২৬) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  মোহাম্মদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ছিনতাইকারী ও ডাকাতসহ ১০ জন গ্রেপ্তার

নিহত শম্পা আক্তার স্বামী সুমন মিয়ার সঙ্গে বড় মগবাজারের ২৫৬/১ নং আশরাফুল ভিলার ৭ তালার ষষ্ঠ তলায় ভাড়া থাকতেন।

হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রেজওয়ানুল ইসলাম জানিয়েছেন, ৯৯৯ নাইনে খবর পেয়ে সকালের দিকে বড় মগবাজার একটি বাসার ৭ তলা ভবনের ছয়তলায় একটি রুমে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই নারীর অচেতন দেহ উদ্ধার করি। পরে পরিবারের সহায়তায় ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে সে আত্মহত্যা হত্যা করে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মগবাজার একটি বাসা থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০২:২৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

রাজধানীর মগবাজার এলাকার একটি বাসা বাড়ি থেকে শম্পা আক্তার (২৬) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকুন: পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স‌

নিহত শম্পা আক্তার স্বামী সুমন মিয়ার সঙ্গে বড় মগবাজারের ২৫৬/১ নং আশরাফুল ভিলার ৭ তালার ষষ্ঠ তলায় ভাড়া থাকতেন।

হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রেজওয়ানুল ইসলাম জানিয়েছেন, ৯৯৯ নাইনে খবর পেয়ে সকালের দিকে বড় মগবাজার একটি বাসার ৭ তলা ভবনের ছয়তলায় একটি রুমে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই নারীর অচেতন দেহ উদ্ধার করি। পরে পরিবারের সহায়তায় ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে সে আত্মহত্যা হত্যা করে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।