ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সিলেট টেস্টে ব্যাটিং ধস, মুজারাবানির সামনে আত্মসমর্পণ টাইগারদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 271

ছবি সংগৃহীত

 

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ২৫৫ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। ফলে জিম্বাবুয়ের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৭৪ রান। টাইগার ব্যাটারদের একের পর এক ব্যর্থতায় প্রতিরোধ গড়তে পারেনি দলটি। বিশেষ করে ব্লেসিং মুজারাবানির বিধ্বংসী বোলিংয়ে কুপোকাত হয়ে যায় শান্ত-মিরাজরা।

চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের ৪ উইকেটে ১৯৪ রান নিয়ে। কিন্তু দিনের দ্বিতীয় বলেই বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মাত্র ৬০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। মুজারাবানির শর্ট বলে পুল শট খেলতে গিয়ে টাইমিং মিস করেন তিনি। বলটি ব্যাটের ওপরের দিকে লেগে সরাসরি চলে যায় লং লেগে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়াউচির হাতে।

আরও পড়ুন  সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের মোট লিড ১৫৬ রান

শান্তর বিদায়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজ চেষ্টা করেছিলেন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে চাপ কাটাতে। তবে তিনি বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মাত্র ১৬ বল খেলে ১১ রান করে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুজারাবানির বলে। এরপর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন তাইজুল ইসলাম। তিনি ৩ বল মোকাবিলা করে মাত্র ১ রান করেন।

এরপর ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে ডিপ মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হাসান মাহমুদ। ৫৮ বল খেলে ১২ রানেই শেষ হয় তার ইনিংস। একই ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন খালেদ আহমেদ। শেষ উইকেট হিসেবে জাকির হাসানকে তুলে নেন মুজারাবানি। এর মাধ্যমে ইনিংসে ছয় উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়ের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ৫০ উইকেট শিকারের তালিকায় জায়গা করে নেন তিনি।

মুজারাবানির দারুণ বোলিংয়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের মধ্যে কেবল শান্ত কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন, বাকিরা ছিলেন হতাশাজনক। ফলস্বরূপ, জিম্বাবুয়ের সামনে এখন সহজ লক্ষ্য। এখন দেখার বিষয়, বোলাররা এই ছোট লক্ষ্য রক্ষায় কতটা লড়াই করতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেট টেস্টে ব্যাটিং ধস, মুজারাবানির সামনে আত্মসমর্পণ টাইগারদের

আপডেট সময় ০২:১৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

 

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ২৫৫ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। ফলে জিম্বাবুয়ের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৭৪ রান। টাইগার ব্যাটারদের একের পর এক ব্যর্থতায় প্রতিরোধ গড়তে পারেনি দলটি। বিশেষ করে ব্লেসিং মুজারাবানির বিধ্বংসী বোলিংয়ে কুপোকাত হয়ে যায় শান্ত-মিরাজরা।

চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের ৪ উইকেটে ১৯৪ রান নিয়ে। কিন্তু দিনের দ্বিতীয় বলেই বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মাত্র ৬০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। মুজারাবানির শর্ট বলে পুল শট খেলতে গিয়ে টাইমিং মিস করেন তিনি। বলটি ব্যাটের ওপরের দিকে লেগে সরাসরি চলে যায় লং লেগে দাঁড়িয়ে থাকা নিয়াউচির হাতে।

আরও পড়ুন  সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের মোট লিড ১৫৬ রান

শান্তর বিদায়ের পর মেহেদী হাসান মিরাজ চেষ্টা করেছিলেন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে চাপ কাটাতে। তবে তিনি বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মাত্র ১৬ বল খেলে ১১ রান করে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুজারাবানির বলে। এরপর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন তাইজুল ইসলাম। তিনি ৩ বল মোকাবিলা করে মাত্র ১ রান করেন।

এরপর ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে ডিপ মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হাসান মাহমুদ। ৫৮ বল খেলে ১২ রানেই শেষ হয় তার ইনিংস। একই ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন খালেদ আহমেদ। শেষ উইকেট হিসেবে জাকির হাসানকে তুলে নেন মুজারাবানি। এর মাধ্যমে ইনিংসে ছয় উইকেট শিকার করে জিম্বাবুয়ের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম ৫০ উইকেট শিকারের তালিকায় জায়গা করে নেন তিনি।

মুজারাবানির দারুণ বোলিংয়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের মধ্যে কেবল শান্ত কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন, বাকিরা ছিলেন হতাশাজনক। ফলস্বরূপ, জিম্বাবুয়ের সামনে এখন সহজ লক্ষ্য। এখন দেখার বিষয়, বোলাররা এই ছোট লক্ষ্য রক্ষায় কতটা লড়াই করতে পারেন।