ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

অতি কথনের রাজনীতি দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়: হাসনাতকে জিল্লুর রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 291

ছবি সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে করা স্ট্যাটাস ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্ষীয়ান সাংবাদিক জিল্লুর রহমান একটি ভিডিও বার্তায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, “এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়। আপনি যা বলছেন, তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশকে অন্ধকার ও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।”

আরও পড়ুন  তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ

ছাত্রনেতাদের কথিত ‘অস্ত্রধারণ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি’র প্রসঙ্গে তিনি একে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, সেনানিবাসে ‘গোপন বৈঠকের’ মতো বিষয় প্রকাশ্যে তুলে এনে রাজনীতির সংবেদনশীলতা নষ্ট করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সব আলোচনা কি প্রকাশযোগ্য? আমরা কি প্রতিদিন সব সত্য বলে বেড়াই?”

নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের উদাহরণ টেনে জিল্লুর রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানের আগে বা পরে নেতাদের সঙ্গে অনেক কথা হয়। সব কি বাইরে বলি? বললে কি এত বছর অনুষ্ঠান চালাতে পারতাম?”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করছেন, যেখানে জনগণ ও সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। এটা ভয়ঙ্কর খেলা। সেনাপ্রধান কখনোই বলেননি তারা ক্ষমতা নিতে চান, তাহলে এ ধরনের প্রচার কেন?”

বিএনপির অবস্থানের কথা টেনে তিনি বলেন, “তারা পর্যন্ত বলছে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হোক, তা চায় না। তাহলে কেন এই বিভ্রান্তি?”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরেও ষড়যন্ত্রের আভাস দেন তিনি। সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইউনূসের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আপনারা যা করছেন, তার হিসেব রাখা হচ্ছে। গণমাধ্যম চুপ থাকলেও ভুলে যায় না।”

শেষে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের কথাবার্তা বন্ধ করুন। দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবেন না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

অতি কথনের রাজনীতি দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়: হাসনাতকে জিল্লুর রহমান

আপডেট সময় ১২:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে করা স্ট্যাটাস ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্ষীয়ান সাংবাদিক জিল্লুর রহমান একটি ভিডিও বার্তায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, “এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়। আপনি যা বলছেন, তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশকে অন্ধকার ও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।”

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন, নিষিদ্ধ করা উচিত”: হাসনাত আবদুল্লাহ

ছাত্রনেতাদের কথিত ‘অস্ত্রধারণ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি’র প্রসঙ্গে তিনি একে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, সেনানিবাসে ‘গোপন বৈঠকের’ মতো বিষয় প্রকাশ্যে তুলে এনে রাজনীতির সংবেদনশীলতা নষ্ট করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সব আলোচনা কি প্রকাশযোগ্য? আমরা কি প্রতিদিন সব সত্য বলে বেড়াই?”

নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের উদাহরণ টেনে জিল্লুর রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানের আগে বা পরে নেতাদের সঙ্গে অনেক কথা হয়। সব কি বাইরে বলি? বললে কি এত বছর অনুষ্ঠান চালাতে পারতাম?”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করছেন, যেখানে জনগণ ও সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। এটা ভয়ঙ্কর খেলা। সেনাপ্রধান কখনোই বলেননি তারা ক্ষমতা নিতে চান, তাহলে এ ধরনের প্রচার কেন?”

বিএনপির অবস্থানের কথা টেনে তিনি বলেন, “তারা পর্যন্ত বলছে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হোক, তা চায় না। তাহলে কেন এই বিভ্রান্তি?”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরেও ষড়যন্ত্রের আভাস দেন তিনি। সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইউনূসের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আপনারা যা করছেন, তার হিসেব রাখা হচ্ছে। গণমাধ্যম চুপ থাকলেও ভুলে যায় না।”

শেষে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের কথাবার্তা বন্ধ করুন। দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবেন না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।