ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

অতি কথনের রাজনীতি দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়: হাসনাতকে জিল্লুর রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 382

ছবি সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে করা স্ট্যাটাস ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্ষীয়ান সাংবাদিক জিল্লুর রহমান একটি ভিডিও বার্তায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, “এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়। আপনি যা বলছেন, তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশকে অন্ধকার ও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।”

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করলে রাজপথে নামবে ১১ দলীয় ঐক্য

ছাত্রনেতাদের কথিত ‘অস্ত্রধারণ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি’র প্রসঙ্গে তিনি একে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, সেনানিবাসে ‘গোপন বৈঠকের’ মতো বিষয় প্রকাশ্যে তুলে এনে রাজনীতির সংবেদনশীলতা নষ্ট করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সব আলোচনা কি প্রকাশযোগ্য? আমরা কি প্রতিদিন সব সত্য বলে বেড়াই?”

নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের উদাহরণ টেনে জিল্লুর রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানের আগে বা পরে নেতাদের সঙ্গে অনেক কথা হয়। সব কি বাইরে বলি? বললে কি এত বছর অনুষ্ঠান চালাতে পারতাম?”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করছেন, যেখানে জনগণ ও সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। এটা ভয়ঙ্কর খেলা। সেনাপ্রধান কখনোই বলেননি তারা ক্ষমতা নিতে চান, তাহলে এ ধরনের প্রচার কেন?”

বিএনপির অবস্থানের কথা টেনে তিনি বলেন, “তারা পর্যন্ত বলছে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হোক, তা চায় না। তাহলে কেন এই বিভ্রান্তি?”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরেও ষড়যন্ত্রের আভাস দেন তিনি। সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইউনূসের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আপনারা যা করছেন, তার হিসেব রাখা হচ্ছে। গণমাধ্যম চুপ থাকলেও ভুলে যায় না।”

শেষে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের কথাবার্তা বন্ধ করুন। দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবেন না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

অতি কথনের রাজনীতি দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়: হাসনাতকে জিল্লুর রহমান

আপডেট সময় ১২:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে করা স্ট্যাটাস ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্ষীয়ান সাংবাদিক জিল্লুর রহমান একটি ভিডিও বার্তায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, “এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়। আপনি যা বলছেন, তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশকে অন্ধকার ও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।”

আরও পড়ুন  বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপি'র তৎপরতায় রাজনীতিতে স্পষ্ট হচ্ছে তিনটি বলয়

ছাত্রনেতাদের কথিত ‘অস্ত্রধারণ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি’র প্রসঙ্গে তিনি একে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, সেনানিবাসে ‘গোপন বৈঠকের’ মতো বিষয় প্রকাশ্যে তুলে এনে রাজনীতির সংবেদনশীলতা নষ্ট করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সব আলোচনা কি প্রকাশযোগ্য? আমরা কি প্রতিদিন সব সত্য বলে বেড়াই?”

নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের উদাহরণ টেনে জিল্লুর রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানের আগে বা পরে নেতাদের সঙ্গে অনেক কথা হয়। সব কি বাইরে বলি? বললে কি এত বছর অনুষ্ঠান চালাতে পারতাম?”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করছেন, যেখানে জনগণ ও সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। এটা ভয়ঙ্কর খেলা। সেনাপ্রধান কখনোই বলেননি তারা ক্ষমতা নিতে চান, তাহলে এ ধরনের প্রচার কেন?”

বিএনপির অবস্থানের কথা টেনে তিনি বলেন, “তারা পর্যন্ত বলছে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হোক, তা চায় না। তাহলে কেন এই বিভ্রান্তি?”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরেও ষড়যন্ত্রের আভাস দেন তিনি। সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইউনূসের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আপনারা যা করছেন, তার হিসেব রাখা হচ্ছে। গণমাধ্যম চুপ থাকলেও ভুলে যায় না।”

শেষে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের কথাবার্তা বন্ধ করুন। দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবেন না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।