ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

অতি কথনের রাজনীতি দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়: হাসনাতকে জিল্লুর রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 467

ছবি সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে করা স্ট্যাটাস ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্ষীয়ান সাংবাদিক জিল্লুর রহমান একটি ভিডিও বার্তায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, “এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়। আপনি যা বলছেন, তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশকে অন্ধকার ও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।”

আরও পড়ুন  ধর্মীয় শিক্ষার্থী থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা—এক দীর্ঘ পথচলার গল্প

ছাত্রনেতাদের কথিত ‘অস্ত্রধারণ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি’র প্রসঙ্গে তিনি একে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, সেনানিবাসে ‘গোপন বৈঠকের’ মতো বিষয় প্রকাশ্যে তুলে এনে রাজনীতির সংবেদনশীলতা নষ্ট করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সব আলোচনা কি প্রকাশযোগ্য? আমরা কি প্রতিদিন সব সত্য বলে বেড়াই?”

নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের উদাহরণ টেনে জিল্লুর রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানের আগে বা পরে নেতাদের সঙ্গে অনেক কথা হয়। সব কি বাইরে বলি? বললে কি এত বছর অনুষ্ঠান চালাতে পারতাম?”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করছেন, যেখানে জনগণ ও সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। এটা ভয়ঙ্কর খেলা। সেনাপ্রধান কখনোই বলেননি তারা ক্ষমতা নিতে চান, তাহলে এ ধরনের প্রচার কেন?”

বিএনপির অবস্থানের কথা টেনে তিনি বলেন, “তারা পর্যন্ত বলছে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হোক, তা চায় না। তাহলে কেন এই বিভ্রান্তি?”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরেও ষড়যন্ত্রের আভাস দেন তিনি। সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইউনূসের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আপনারা যা করছেন, তার হিসেব রাখা হচ্ছে। গণমাধ্যম চুপ থাকলেও ভুলে যায় না।”

শেষে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের কথাবার্তা বন্ধ করুন। দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবেন না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

অতি কথনের রাজনীতি দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়: হাসনাতকে জিল্লুর রহমান

আপডেট সময় ১২:৪০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর সেনানিবাসে বৈঠক নিয়ে করা স্ট্যাটাস ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বর্ষীয়ান সাংবাদিক জিল্লুর রহমান একটি ভিডিও বার্তায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, “এতো অতি কথন মোটেও ভালো নয়। আপনি যা বলছেন, তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশকে অন্ধকার ও বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।”

আরও পড়ুন  চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট

ছাত্রনেতাদের কথিত ‘অস্ত্রধারণ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি’র প্রসঙ্গে তিনি একে হাস্যকর ও বিপজ্জনক বলে আখ্যা দেন। তাঁর মতে, সেনানিবাসে ‘গোপন বৈঠকের’ মতো বিষয় প্রকাশ্যে তুলে এনে রাজনীতির সংবেদনশীলতা নষ্ট করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সব আলোচনা কি প্রকাশযোগ্য? আমরা কি প্রতিদিন সব সত্য বলে বেড়াই?”

নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের উদাহরণ টেনে জিল্লুর রহমান বলেন, “অনুষ্ঠানের আগে বা পরে নেতাদের সঙ্গে অনেক কথা হয়। সব কি বাইরে বলি? বললে কি এত বছর অনুষ্ঠান চালাতে পারতাম?”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা এখন এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করছেন, যেখানে জনগণ ও সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। এটা ভয়ঙ্কর খেলা। সেনাপ্রধান কখনোই বলেননি তারা ক্ষমতা নিতে চান, তাহলে এ ধরনের প্রচার কেন?”

বিএনপির অবস্থানের কথা টেনে তিনি বলেন, “তারা পর্যন্ত বলছে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হোক, তা চায় না। তাহলে কেন এই বিভ্রান্তি?”

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরেও ষড়যন্ত্রের আভাস দেন তিনি। সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইউনূসের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “আপনারা যা করছেন, তার হিসেব রাখা হচ্ছে। গণমাধ্যম চুপ থাকলেও ভুলে যায় না।”

শেষে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “এ ধরনের কথাবার্তা বন্ধ করুন। দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবেন না। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।