ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ও অন্যান্য ৮ আসামির খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 399

ছবি সংগৃহীত

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দলের আরও সাত নেতাকে নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এই রায় দেন। আদালত জানিয়েছে, মামলাটি রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে দায়ের করা হয়েছিল।

মামলার শুনানি শেষে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আসামি পক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। খালেদা জিয়া, যিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন, আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে তার পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম হাজির ছিলেন।

আরও পড়ুন  সংগ্রাম-শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় ৮১ বছরে খালেদা জিয়া

মামলার প্রসঙ্গে দুদকের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করা হলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের আবেদন করেন। আদালত মামলার প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের খালাসের রায় প্রদান করেন।

মামলাটি ২০০৭ সালে দায়ের করা হয়, যখন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম খালেদা জিয়া এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। ২০০৮ সালে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এই মামলায় ৬৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক মন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সি এম ইউছুফ হোসাইন, মীর ময়নুল হক, মো. শফিউর রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, সেলিম ভূঁইয়া, ও কাশেম শরীফ।

এদিকে, দুই আসামি এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং মওদুদ আহমদ মৃত হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ ছিল যে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে খালেদা জিয়া ও তার সহকর্মীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কানাডার একটি কোম্পানিকে অবৈধভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সুযোগ প্রদান করেন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ও অন্যান্য ৮ আসামির খালাস

আপডেট সময় ০১:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দলের আরও সাত নেতাকে নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালাস দিয়েছে আদালত। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এই রায় দেন। আদালত জানিয়েছে, মামলাটি রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে দায়ের করা হয়েছিল।

মামলার শুনানি শেষে, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আসামি পক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। খালেদা জিয়া, যিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছেন, আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে তার পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম হাজির ছিলেন।

আরও পড়ুন  মরণোত্তর অদম্য নারী পুরস্কার খালেদা জিয়ার, দাদীর পক্ষে পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

মামলার প্রসঙ্গে দুদকের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করা হলেও, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাসের আবেদন করেন। আদালত মামলার প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের খালাসের রায় প্রদান করেন।

মামলাটি ২০০৭ সালে দায়ের করা হয়, যখন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম খালেদা জিয়া এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন। ২০০৮ সালে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এই মামলায় ৬৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৯ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, সাবেক মন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সি এম ইউছুফ হোসাইন, মীর ময়নুল হক, মো. শফিউর রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, সেলিম ভূঁইয়া, ও কাশেম শরীফ।

এদিকে, দুই আসামি এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং মওদুদ আহমদ মৃত হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ ছিল যে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে খালেদা জিয়া ও তার সহকর্মীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কানাডার একটি কোম্পানিকে অবৈধভাবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সুযোগ প্রদান করেন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।