ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

শেখ হাসিনা ও তাঁর দলকে জনগণ ‘থু থু’ দেবে: জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে স্পিকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 102

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর যতদিন থাকবে, সেখানে মানুষ এসে ‘মাফিয়া নেত্রী’ শেখ হাসিনা ও তাঁর দলকে ‘থু থু’ দেবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) গণভবনে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া সমালোচনা করে স্পিকার বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মাফিয়া শেখ হাসিনা যে তাঁর খুনিদের সরাসরি হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, তার অডিও ও কলরেকর্ড এই জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। অভিনয়ে পারদর্শী এই নেত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবেন। জনগণ এখানে এসে হাসিনা আর আওয়ামী লীগের মুখে ঘৃণাভরে থু থু দেবে।’

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, এই জাদুঘর বিশ্ববাসীকে প্রমাণ করে দেবে যে, বাংলাদেশের মানুষ কোনো স্বৈরাচারকে গ্রহণ করে না এবং গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ হাসিমুখে জীবন দিতে জানে।
এই জাদুঘর বাংলাদেশের আপামর জনগণের জন্য এক বিশাল সম্পদ এবং এই অভ্যুত্থান যুগ যুগ ধরে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পরিদর্শনকালে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, এই জুলাই জাদুঘর হলো ফ্যাসিস্ট শক্তি থেকে দেশ ও জনগণের মুক্তির এক জীবন্ত প্রতিবিম্ব।
তিনি মনে করেন, এই জাদুঘর পরবর্তী প্রজন্মের কাছে স্বৈরাচারের পতনের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরবে।

জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার বিষয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাই মাসের শেষ দিকে অথবা আগস্টের ১ তারিখের মধ্যে জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বর্তমানে এর সংস্কার ও সাজসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ জানান স্পিকার। পরিদর্শনকালে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং সংসদ সচিবালয়ের উর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর দলকে জনগণ ‘থু থু’ দেবে: জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে স্পিকার

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর যতদিন থাকবে, সেখানে মানুষ এসে ‘মাফিয়া নেত্রী’ শেখ হাসিনা ও তাঁর দলকে ‘থু থু’ দেবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) গণভবনে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া সমালোচনা করে স্পিকার বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মাফিয়া শেখ হাসিনা যে তাঁর খুনিদের সরাসরি হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, তার অডিও ও কলরেকর্ড এই জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। অভিনয়ে পারদর্শী এই নেত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবেন। জনগণ এখানে এসে হাসিনা আর আওয়ামী লীগের মুখে ঘৃণাভরে থু থু দেবে।’

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, এই জাদুঘর বিশ্ববাসীকে প্রমাণ করে দেবে যে, বাংলাদেশের মানুষ কোনো স্বৈরাচারকে গ্রহণ করে না এবং গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ হাসিমুখে জীবন দিতে জানে।
এই জাদুঘর বাংলাদেশের আপামর জনগণের জন্য এক বিশাল সম্পদ এবং এই অভ্যুত্থান যুগ যুগ ধরে বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পরিদর্শনকালে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, এই জুলাই জাদুঘর হলো ফ্যাসিস্ট শক্তি থেকে দেশ ও জনগণের মুক্তির এক জীবন্ত প্রতিবিম্ব।
তিনি মনে করেন, এই জাদুঘর পরবর্তী প্রজন্মের কাছে স্বৈরাচারের পতনের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরবে।

জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার বিষয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাই মাসের শেষ দিকে অথবা আগস্টের ১ তারিখের মধ্যে জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বর্তমানে এর সংস্কার ও সাজসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ জানান স্পিকার। পরিদর্শনকালে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং সংসদ সচিবালয়ের উর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।