ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 125

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীদের যোগদানের সুযোগ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি মন্তব্য করেছেন, ছাত্রলীগের কর্মীদের জন্য যদি এনসিপির দুয়ার খোলা থাকে, তবে আওয়ামী লীগকেও আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত।

আজ রোববার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, “অতীতে কেউ ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ করুক—সেটি আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজ থেকে যারা এনসিপিতে আসবে, তারা দলের আদর্শ ধারণ করে এনসিপির সংগঠক হিসেবে কাজ করবে।”

আরও পড়ুন  বেনাপোলে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে গোপালগঞ্জ আ.লীগের নেতা গ্রেফতার

নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ খান তার পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, “যেহেতু অতীতে ছাত্রলীগ করলেও বর্তমানে এনসিপি করা যাবে, তাহলে অতীতে আওয়ামী লীগ করলে তারা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ করতে পারবে না?” তিনি আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল এবং এর কর্মীদের আন্ডারগ্রাউন্ডে ঠেলে না দিয়ে স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

রাশেদ খান তার বক্তব্যে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগের কেউ এনসিপিতে পুনর্বাসিত হোক, কেউ জামায়াতে, কেউ আবার রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হিসেবে। আশা করি, এতে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করে কণ্ঠভোটে পাস করিয়ে আনবেন।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পটভূমির নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই রাশেদ খানের এই মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি নিয়ে তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান

আপডেট সময় ০৫:৫৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীদের যোগদানের সুযোগ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি মন্তব্য করেছেন, ছাত্রলীগের কর্মীদের জন্য যদি এনসিপির দুয়ার খোলা থাকে, তবে আওয়ামী লীগকেও আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত।

আজ রোববার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, “অতীতে কেউ ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ করুক—সেটি আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজ থেকে যারা এনসিপিতে আসবে, তারা দলের আদর্শ ধারণ করে এনসিপির সংগঠক হিসেবে কাজ করবে।”

আরও পড়ুন  বিচারের আগপর্যন্ত আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সাইবার স্পেসেও নিষেধাজ্ঞা

নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাশেদ খান তার পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, “যেহেতু অতীতে ছাত্রলীগ করলেও বর্তমানে এনসিপি করা যাবে, তাহলে অতীতে আওয়ামী লীগ করলে তারা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ করতে পারবে না?” তিনি আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল এবং এর কর্মীদের আন্ডারগ্রাউন্ডে ঠেলে না দিয়ে স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

রাশেদ খান তার বক্তব্যে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলেন, “আওয়ামী লীগের কেউ এনসিপিতে পুনর্বাসিত হোক, কেউ জামায়াতে, কেউ আবার রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হিসেবে। আশা করি, এতে সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করে কণ্ঠভোটে পাস করিয়ে আনবেন।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পটভূমির নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই রাশেদ খানের এই মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও পুনর্বাসনের বিষয়টি নিয়ে তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হচ্ছে।