ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ মনে করে বর্তমান সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 131

ছবি: সংগৃহীত

 

শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ মনে করে বর্তমান সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে এবং একটি মানসম্মত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের এই অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আরও পড়ুন  ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা খাতের বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে চলতি অর্থবছর থেকেই ২ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ এবং পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে ডিজিটাল রূপান্তরের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ১ হাজার ৫০০ প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য ‘এডু-আইডি’ প্রদানের কাজ চলছে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের মধ্যে সব কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু করা হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সাইবার সিকিউরিটির মতো আধুনিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইসিটি বিভাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ মনে করে বর্তমান সরকার

আপডেট সময় ০৪:৪০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ মনে করে বর্তমান সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে এবং একটি মানসম্মত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের এই অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।

আরও পড়ুন  ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা খাতের বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে চলতি অর্থবছর থেকেই ২ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ এবং পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করতে ডিজিটাল রূপান্তরের ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, ১ হাজার ৫০০ প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য ‘এডু-আইডি’ প্রদানের কাজ চলছে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের মধ্যে সব কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু করা হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও সাইবার সিকিউরিটির মতো আধুনিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইসিটি বিভাগ।