ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা

খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 287

ছবি সংগৃহীত

 

দ্য লন্ডন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও লিভার প্রতিস্থাপন এখন আর সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে হিউম্যান সিরাম অ্যালবুমিন দেওয়া হচ্ছে, যা লিভারের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করবে। মেডিকেল বোর্ড তাঁর স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২১ জানুয়ারি লন্ডন জানানো হয়, খালেদা জিয়ার শরীরে নতুন যে জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও লিভার প্রতিস্থাপন ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। তাঁর বয়স এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতাগুলো এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে।

আরও পড়ুন  শশী হাসপাতালের স্কিন কেয়ারে বিশাল ছাড়, এআই প্রযুক্তিতে ফ্রি স্কিন অ্যানালাইসিস

যখন শারীরিক সক্ষমতা ভালো ছিল, তখন বিদেশে নেওয়া গেলে লিভার প্রতিস্থাপনের সুযোগ থাকত। বাংলাদেশে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেডিকেল বোর্ড বারবার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সুপারিশ করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

লিভার প্রতিস্থাপনের পরিবর্তে হিউম্যান সিরাম অ্যালবুমিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি মানুষের রক্তের প্লাজমার প্রধান প্রোটিন, যা লিভারের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করে। এটি শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখা, হরমোন, ভিটামিন ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহন, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। মেডিকেল বোর্ড নিয়মিত নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা পরিবর্তন করছে।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক জানিয়েছেন, লন্ডন ক্লিনিকেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার প্রস্তাব থাকলেও তা বাস্তবায়িত নাও হতে পারে। প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি রাখা হচ্ছে না। তাঁর ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান ও নাতনিরা নিয়মিত হাসপাতালে আসছেন এবং বাসা থেকে খাবার সরবরাহ করছেন।

খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি সমস্যা, হার্টের অসুস্থতা, ডায়াবেটিস এবং আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৮ জানুয়ারি তাঁকে যুক্তরাজ্যে নিয়ে লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডির তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। খালেদা জিয়ার দ্য লন্ডন ক্লিনিকে চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা

খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০২:০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

 

দ্য লন্ডন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও লিভার প্রতিস্থাপন এখন আর সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে হিউম্যান সিরাম অ্যালবুমিন দেওয়া হচ্ছে, যা লিভারের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করবে। মেডিকেল বোর্ড তাঁর স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২১ জানুয়ারি লন্ডন জানানো হয়, খালেদা জিয়ার শরীরে নতুন যে জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও লিভার প্রতিস্থাপন ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। তাঁর বয়স এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতাগুলো এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে।

আরও পড়ুন  লন্ডনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ  

যখন শারীরিক সক্ষমতা ভালো ছিল, তখন বিদেশে নেওয়া গেলে লিভার প্রতিস্থাপনের সুযোগ থাকত। বাংলাদেশে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেডিকেল বোর্ড বারবার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সুপারিশ করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

লিভার প্রতিস্থাপনের পরিবর্তে হিউম্যান সিরাম অ্যালবুমিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি মানুষের রক্তের প্লাজমার প্রধান প্রোটিন, যা লিভারের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করে। এটি শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখা, হরমোন, ভিটামিন ও বর্জ্য পদার্থ পরিবহন, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। মেডিকেল বোর্ড নিয়মিত নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসার পরিকল্পনা পরিবর্তন করছে।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক জানিয়েছেন, লন্ডন ক্লিনিকেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার প্রস্তাব থাকলেও তা বাস্তবায়িত নাও হতে পারে। প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি রাখা হচ্ছে না। তাঁর ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান ও নাতনিরা নিয়মিত হাসপাতালে আসছেন এবং বাসা থেকে খাবার সরবরাহ করছেন।

খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি সমস্যা, হার্টের অসুস্থতা, ডায়াবেটিস এবং আর্থ্রাইটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৮ জানুয়ারি তাঁকে যুক্তরাজ্যে নিয়ে লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জন প্যাট্রিক কেনেডির তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। খালেদা জিয়ার দ্য লন্ডন ক্লিনিকে চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।