ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য: পদ হারালেন বরগুনা জেলা জামায়াত নেতা শামীম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 655

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের দায়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৪ জানুয়ারি (শনিবার) রাতে। পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালী এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে শামীম আহসান ডাকসুকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বিশেষণ ব্যবহার করেন। তার সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বক্তব্যের কঠোর নিন্দা জানায় এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পালন করে শামীমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন।

আরও পড়ুন  ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল

অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম আহসানের মন্তব্য দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে, যা জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। এই বেফাঁস মন্তব্যের ফলে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জেলা কর্মপরিষদ তার রুকন (সদস্য) পদ স্থগিত করেছে। একইসঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারির পদসহ সংগঠনের সকল দায়িত্ব থেকে চিরতরে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

জেলা আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের জাতীয় আবেগের স্থান। এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে এমন অশালীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ না করে, সেজন্যই আমরা কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য: পদ হারালেন বরগুনা জেলা জামায়াত নেতা শামীম

আপডেট সময় ০১:৫৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের দায়ে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৪ জানুয়ারি (শনিবার) রাতে। পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালী এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে শামীম আহসান ডাকসুকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বিশেষণ ব্যবহার করেন। তার সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বক্তব্যের কঠোর নিন্দা জানায় এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পালন করে শামীমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলেন।

আরও পড়ুন  শীর্ষ আদালতের নির্দেশে জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ

অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম আহসানের মন্তব্য দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে, যা জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। এই বেফাঁস মন্তব্যের ফলে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জেলা কর্মপরিষদ তার রুকন (সদস্য) পদ স্থগিত করেছে। একইসঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারির পদসহ সংগঠনের সকল দায়িত্ব থেকে চিরতরে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

জেলা আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের জাতীয় আবেগের স্থান। এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে এমন অশালীন বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে যাতে কেউ এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ না করে, সেজন্যই আমরা কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”