ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

গণতন্ত্র ছাড়া মানুষের সার্বিক অধিকার সুরক্ষিত হয় না: তারেক রহমান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 602

ছবি সংগৃহীত

 

গণতন্ত্র ছাড়া মানুষের সার্বিক অধিকার সুরক্ষিত হয় না এ কথা আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে এখনো গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ শুরু হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হলেও এখনো গণতন্ত্রের চর্চা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। বরং ‘মব জাস্টিস’ বা গোষ্ঠী ভিত্তিক হিংস্র প্রতিশোধ আজ মানবতার শত্রুতে পরিণত হয়েছে।”

জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস (২৬ জুন) উপলক্ষে বুধবার (২৫ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারেক রহমান এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই ‘মব জাস্টিস’ কেবল আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থীই নয়, বরং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গঠনের পথকেও রুদ্ধ করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  সপ্তাহজুড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের যে কাজগুলো প্রশংসিত-

তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশে গত প্রায় ১৬ বছর ধরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের নামে গণতন্ত্রকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠ রোধে কালাকানুন চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে, তাঁকে চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে কথা বললেই পেটোয়া বাহিনী দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। বিচারবিহীনতা, গুম, নারী-শিশুসহ নিরীহ জনগণের ওপর সন্ত্রাস সব মিলিয়ে দেশে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটেছে।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “একমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাতেই মানবতা, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। অথচ আজ আমরা সেই পথ থেকে সরে এসেছি। ফলে দেশে একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতা ও নির্যাতনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বৈরাচারী শাসনে সহিংসতা অব্যাহত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই বাস্তবতায় বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রকামীদের মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। তবেই নির্যাতনের সংস্কৃতির অবসান ঘটবে এবং মানবিক শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।”

তিনি বলেন, “গণতন্ত্রকে গতিশীল করতে এবং পুনরায় একমাত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঠেকাতে গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য এখন সময়ের দাবি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

গণতন্ত্র ছাড়া মানুষের সার্বিক অধিকার সুরক্ষিত হয় না: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৬:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

গণতন্ত্র ছাড়া মানুষের সার্বিক অধিকার সুরক্ষিত হয় না এ কথা আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে এখনো গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ শুরু হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হলেও এখনো গণতন্ত্রের চর্চা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। বরং ‘মব জাস্টিস’ বা গোষ্ঠী ভিত্তিক হিংস্র প্রতিশোধ আজ মানবতার শত্রুতে পরিণত হয়েছে।”

জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস (২৬ জুন) উপলক্ষে বুধবার (২৫ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারেক রহমান এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই ‘মব জাস্টিস’ কেবল আইন ও মানবাধিকারের পরিপন্থীই নয়, বরং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গঠনের পথকেও রুদ্ধ করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা চায় বিএনপি: আমিনুল হক

তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশে গত প্রায় ১৬ বছর ধরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের নামে গণতন্ত্রকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠ রোধে কালাকানুন চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে, তাঁকে চিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে কথা বললেই পেটোয়া বাহিনী দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। বিচারবিহীনতা, গুম, নারী-শিশুসহ নিরীহ জনগণের ওপর সন্ত্রাস সব মিলিয়ে দেশে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটেছে।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “একমাত্র গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাতেই মানবতা, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। অথচ আজ আমরা সেই পথ থেকে সরে এসেছি। ফলে দেশে একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতা ও নির্যাতনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বৈরাচারী শাসনে সহিংসতা অব্যাহত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই বাস্তবতায় বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রকামীদের মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। তবেই নির্যাতনের সংস্কৃতির অবসান ঘটবে এবং মানবিক শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।”

তিনি বলেন, “গণতন্ত্রকে গতিশীল করতে এবং পুনরায় একমাত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঠেকাতে গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য এখন সময়ের দাবি।”