ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা চায় বিএনপি: আমিনুল হক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 519

ছবি সংগৃহীত

 

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, বিএনপি চায় উৎসবমুখর পরিবেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন হোক যার মাধ্যমে দেশে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়ন করা গেলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন  গঠনমূলক সমালোচনার ওপর জোর দিলেন তারেক রহমান, প্রত্যাশা অবাধ নির্বাচনের

মঙ্গলবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী মোড়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড পিপলস জেনারেল রিহ্যাবলিটেশন কমিটি (এসপিজিআরসি)’ কুর্মিটোলা শাখা ও ‘উর্দুভাষী যুব ছাত্র আন্দোলন’-এর আয়োজনে ২০১৪ সালের ১৪ জুন কালশীর কুর্মিটোলা ক্যাম্পে উর্দুভাষীদের ওপর সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করে আসছে। সেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের আশায় আজো মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশের জনগণ আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চায় না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক। যেন সবাই স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারে এবং সম্মানের সাথে নিজেকে একজন বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে পারে।”

২০১৪ সালের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

উর্দুভাষী বিহারিদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, “আপনারা আমার পরিবারের সদস্য। আপনাদের সুখ-দুঃখে আমি সবসময় পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আপনাদের আলাদা করে দেখার কোনো প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা আমাদের ভাইদের হত্যা করেছে, গুম করেছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা তরুণদের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে।”

হত্যাকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে ফারজানা নামের একমাত্র জীবিত সদস্যের যাবতীয় ভরণপোষণের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণাও দেন বিএনপি নেতা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এসপিজিআরসি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এম শওকত আলী। আরও উপস্থিত ছিলেন কুর্মিটোলা শাখার সভাপতি সাদাকাত হোসেন ফাক্কু, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আলী বাবলু, সহসভাপতি মঈনুদ্দিন হোসেন মুন্না প্রমুখ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

উৎসবমুখর নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা চায় বিএনপি: আমিনুল হক

আপডেট সময় ১০:৪৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

 

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, বিএনপি চায় উৎসবমুখর পরিবেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন হোক যার মাধ্যমে দেশে পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়ন করা গেলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার পরিষদে আজ শপথ নেবে না বিএনপির এমপিরা

মঙ্গলবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্লবীর কালশী মোড়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড পিপলস জেনারেল রিহ্যাবলিটেশন কমিটি (এসপিজিআরসি)’ কুর্মিটোলা শাখা ও ‘উর্দুভাষী যুব ছাত্র আন্দোলন’-এর আয়োজনে ২০১৪ সালের ১৪ জুন কালশীর কুর্মিটোলা ক্যাম্পে উর্দুভাষীদের ওপর সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করে আসছে। সেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের আশায় আজো মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশের জনগণ আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চায় না।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুক। যেন সবাই স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ করতে পারে এবং সম্মানের সাথে নিজেকে একজন বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে পারে।”

২০১৪ সালের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

উর্দুভাষী বিহারিদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, “আপনারা আমার পরিবারের সদস্য। আপনাদের সুখ-দুঃখে আমি সবসময় পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আপনাদের আলাদা করে দেখার কোনো প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে শেখ হাসিনা এবং তার দোসররা আমাদের ভাইদের হত্যা করেছে, গুম করেছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা তরুণদের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার এ দেশের মাটিতেই হবে।”

হত্যাকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে ফারজানা নামের একমাত্র জীবিত সদস্যের যাবতীয় ভরণপোষণের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণাও দেন বিএনপি নেতা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এসপিজিআরসি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এম শওকত আলী। আরও উপস্থিত ছিলেন কুর্মিটোলা শাখার সভাপতি সাদাকাত হোসেন ফাক্কু, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আলী বাবলু, সহসভাপতি মঈনুদ্দিন হোসেন মুন্না প্রমুখ।