ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত উপদেষ্টার ফেরার পর: ভূমি সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 491

ছবি সংগৃহীত

 

 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন, ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ নিয়ে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের দাবিদাওয়া মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হবে। তিনি দেশে ফিরলেই এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  মাগুরা শিশু ধর্ষণ: ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য কিছুটা সময়ের আহ্বান আইন উপদেষ্টার

বুধবার (২৮ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি জানান, এ বিষয়ে গঠিত সাত সচিবের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এদিকে, ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, সচিবদের বৈঠকের বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই পরবর্তী আন্দোলন বা কর্মসূচির সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এর প্রেক্ষিতে, পূর্বঘোষিত ২৮ মে’র বিক্ষোভ কর্মসূচি একদিন আগেই, মঙ্গলবার (২৭ মে) স্থগিত ঘোষণা করা হয়। সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

প্রসঙ্গত, ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশের পর সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, এ অধ্যাদেশ সরকারি চাকরিজীবীদের নিরাপত্তা ও পদোন্নতি ব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, চারটি বিষয়ে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যেগুলোকে কর্মচারীরা ‘নিবর্তনমূলক’ ও ‘কালাকানুন’ আখ্যা দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য অপরাধের মধ্যে রয়েছে অনানুগত্যমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ছুটি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অন্যদের উসকানি দেওয়া এবং কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়া। এসব অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুতির ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

অভিযোগ গঠনের সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং আরও সাত কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দিতে হবে কেন শাস্তি দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদিত হয় এবং ২৫ মে (রবিবার) গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত উপদেষ্টার ফেরার পর: ভূমি সচিব

আপডেট সময় ০১:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

 

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ জানিয়েছেন, ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ নিয়ে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের দাবিদাওয়া মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে জানানো হবে। তিনি দেশে ফিরলেই এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  সোহাগ হত্যায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বুধবার (২৮ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি জানান, এ বিষয়ে গঠিত সাত সচিবের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তারা মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এদিকে, ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, সচিবদের বৈঠকের বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই পরবর্তী আন্দোলন বা কর্মসূচির সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এর প্রেক্ষিতে, পূর্বঘোষিত ২৮ মে’র বিক্ষোভ কর্মসূচি একদিন আগেই, মঙ্গলবার (২৭ মে) স্থগিত ঘোষণা করা হয়। সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে কো-চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

প্রসঙ্গত, ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশের পর সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, এ অধ্যাদেশ সরকারি চাকরিজীবীদের নিরাপত্তা ও পদোন্নতি ব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, চারটি বিষয়ে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যেগুলোকে কর্মচারীরা ‘নিবর্তনমূলক’ ও ‘কালাকানুন’ আখ্যা দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য অপরাধের মধ্যে রয়েছে অনানুগত্যমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ছুটি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, অন্যদের উসকানি দেওয়া এবং কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়া। এসব অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে চাকরিচ্যুতির ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

অভিযোগ গঠনের সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং আরও সাত কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দিতে হবে কেন শাস্তি দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদিত হয় এবং ২৫ মে (রবিবার) গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।