০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

সারজিস আলম: “যে খুনি হাজারো মায়ের বুক খালি করেছে, তার বিচার চাই”

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 214

ছবি সংগৃহীত

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলা সদর বাজারে গণসংযোগ ও পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “যে আশাগুলোকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্ম রক্ত দিয়েছিল, সেই সিস্টেমগুলোতে আজও সংস্কার হয়নি। আমরা সেই পরিবর্তন দেখতে চাই।”

সোমবার (২৬ মে) দুপুরে ডোমার ডিবি রোডে আয়োজিত পথসভায় তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাদের কাছে একটি অনুরোধ জানাই যে খুনি শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকতে হাজারো মাকে সন্তানহারা করেছে, ভাইবোনদের নির্মমভাবে হত্যা করেছে, সেই খুনির বিচার কি এই বাংলাদেশে হওয়া উচিত নয়? তার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে নির্বিকারভাবে সরে না দাঁড়ায়।”

[bsa_pro_ad_space id=2]

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, সাদিয়া ফারজানা দিনা, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু সাঈদ লিওনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সারজিস আলম বলেন, “আমরা বিচার চাই সেই রক্তপিপাসু শাসকের, যে গণহত্যা করে ইতিহাসের কলঙ্ক হয়ে গেছে। বিচার না হলে এই দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়ের ভিত্তি শক্ত হবে না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এই দেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান থাকলেও বিগত ১৬ বছরে এগুলো ছিল দুর্নীতির আস্তানা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকেই রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আজকে সময় এসেছে জনগণের প্রশ্নগুলোকে সামনে আনার। তরুণ প্রজন্ম পরিবর্তন চায়, স্বচ্ছতা চায়, জবাবদিহিতা চায়। আমরা সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য মাঠে নেমেছি। এই লড়াই শুধু ক্ষমতার জন্য নয়, এটা ন্যায়ের জন্য, এটি গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য।”

স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন নেতারা এবং দেশের ভবিষ্যৎ ও উন্নয়নের পথে তাদের মতামত ও দাবি শুনে নেন। পথসভা শেষে একটি শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

সারজিস আলম: “যে খুনি হাজারো মায়ের বুক খালি করেছে, তার বিচার চাই”

আপডেট সময় ০৬:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলা সদর বাজারে গণসংযোগ ও পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “যে আশাগুলোকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্ম রক্ত দিয়েছিল, সেই সিস্টেমগুলোতে আজও সংস্কার হয়নি। আমরা সেই পরিবর্তন দেখতে চাই।”

সোমবার (২৬ মে) দুপুরে ডোমার ডিবি রোডে আয়োজিত পথসভায় তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাদের কাছে একটি অনুরোধ জানাই যে খুনি শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকতে হাজারো মাকে সন্তানহারা করেছে, ভাইবোনদের নির্মমভাবে হত্যা করেছে, সেই খুনির বিচার কি এই বাংলাদেশে হওয়া উচিত নয়? তার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে নির্বিকারভাবে সরে না দাঁড়ায়।”

[bsa_pro_ad_space id=2]

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, সাদিয়া ফারজানা দিনা, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু সাঈদ লিওনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সারজিস আলম বলেন, “আমরা বিচার চাই সেই রক্তপিপাসু শাসকের, যে গণহত্যা করে ইতিহাসের কলঙ্ক হয়ে গেছে। বিচার না হলে এই দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়ের ভিত্তি শক্ত হবে না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “এই দেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান থাকলেও বিগত ১৬ বছরে এগুলো ছিল দুর্নীতির আস্তানা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকেই রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আজকে সময় এসেছে জনগণের প্রশ্নগুলোকে সামনে আনার। তরুণ প্রজন্ম পরিবর্তন চায়, স্বচ্ছতা চায়, জবাবদিহিতা চায়। আমরা সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য মাঠে নেমেছি। এই লড়াই শুধু ক্ষমতার জন্য নয়, এটা ন্যায়ের জন্য, এটি গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য।”

স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন নেতারা এবং দেশের ভবিষ্যৎ ও উন্নয়নের পথে তাদের মতামত ও দাবি শুনে নেন। পথসভা শেষে একটি শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।