ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন

গণতন্ত্রের পথে ঐকমত্য প্রয়োজন, মতপার্থক্য নয়: আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 530

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ বারবার ফ্যাসিবাদের উত্থান চায় না। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত হবে। তাই তারা জুলাই অভ্যুত্থানে জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  চলতি সপ্তাহের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায় কমিশন: আলী রীয়াজ

আলী রীয়াজ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই আলোচনার উদ্যোগ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাভাবিক, তবে সংস্কারের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি দৃঢ় থাকা জরুরি।”

তিনি বলেন, “জুলাই-আগস্টে দেশের মানুষ শুধু ক্ষোভ নয়, পরিবর্তনের আশাও প্রকাশ করেছে। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না। ঐকমত্য কমিশন সেই কাঠামো তৈরির কাজ করছে, আর এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা অপরিহার্য।”

কমিশনের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মনির হায়দার।

বাসদের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন দলটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় ফোরামের সদস্য নিখিল দাস, জনার্দন দত্ত নান্টু, শম্পা বসু, মনীষা চক্রবর্ত্তী, জুলফিকার আলী, আহসান হাবিব বুলবুল, খালেকুজ্জামান লিপন, আবু নাঈম খান বিপ্লব ও গাজীপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব রাহাত আহম্মেদ।

বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, “মতপ্রকাশ ও গ্রহণযোগ্যতার এই পরিবেশ আমরা অতীতে পাইনি। কিন্তু এখন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব।”

তিনি বলেন, “মানুষ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে। সংস্কারের কিছু প্রস্তাবে আমরা ইতিমধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছি, আর যেসব বিষয়ে মতপার্থক্য আছে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর মানসিকতার পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “এখন সময় এসেছে একটি বাস্তবসম্মত অঙ্গীকারে পৌঁছানোর। অতীতে অনেক ঐকমত্য হলেও রাজনৈতিক দলগুলো তা মানেনি। সেসব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ইতিহাস রয়েছে। তাই মানসিকতা না বদলালে বর্তমান ঐকমত্যও ব্যর্থ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গণতন্ত্রের পথে ঐকমত্য প্রয়োজন, মতপার্থক্য নয়: আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০১:০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ বারবার ফ্যাসিবাদের উত্থান চায় না। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত হবে। তাই তারা জুলাই অভ্যুত্থানে জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  জুলাই মাসের মধ্যে ‘জাতীয় সনদ’ তৈরি করতে পারবো: আলী রীয়াজ

আলী রীয়াজ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই আলোচনার উদ্যোগ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাভাবিক, তবে সংস্কারের প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি দৃঢ় থাকা জরুরি।”

তিনি বলেন, “জুলাই-আগস্টে দেশের মানুষ শুধু ক্ষোভ নয়, পরিবর্তনের আশাও প্রকাশ করেছে। তারা এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে বৈষম্য থাকবে না। ঐকমত্য কমিশন সেই কাঠামো তৈরির কাজ করছে, আর এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা অপরিহার্য।”

কমিশনের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মনির হায়দার।

বাসদের পক্ষে বৈঠকে অংশ নেন দলটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় ফোরামের সদস্য নিখিল দাস, জনার্দন দত্ত নান্টু, শম্পা বসু, মনীষা চক্রবর্ত্তী, জুলফিকার আলী, আহসান হাবিব বুলবুল, খালেকুজ্জামান লিপন, আবু নাঈম খান বিপ্লব ও গাজীপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব রাহাত আহম্মেদ।

বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, “মতপ্রকাশ ও গ্রহণযোগ্যতার এই পরিবেশ আমরা অতীতে পাইনি। কিন্তু এখন রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব।”

তিনি বলেন, “মানুষ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছে। সংস্কারের কিছু প্রস্তাবে আমরা ইতিমধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছেছি, আর যেসব বিষয়ে মতপার্থক্য আছে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর মানসিকতার পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “এখন সময় এসেছে একটি বাস্তবসম্মত অঙ্গীকারে পৌঁছানোর। অতীতে অনেক ঐকমত্য হলেও রাজনৈতিক দলগুলো তা মানেনি। সেসব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের ইতিহাস রয়েছে। তাই মানসিকতা না বদলালে বর্তমান ঐকমত্যও ব্যর্থ হতে পারে।