ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ঢাবি ভিসিকে দোষী দেখিয়ে মূল সত্য আড়াল করার পাঁয়তারা: সারজিসের অভিযোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 593

ছবি সংগৃহীত

 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘটে যাওয়া সাম্য হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। বুধবার (১৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার দায় ঢাবি প্রশাসনের ওপর চাপানো একটি অপচেষ্টা এবং সত্য আড়াল করার পাঁয়তারা।

সারজিস আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তমঞ্চসংলগ্ন এলাকা, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আওতার বাইরে। উদ্যানের ভেতরে চলা মাদক, চাঁদাবাজি ও অসামাজিক কার্যকলাপের পেছনে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের হাত রয়েছে, যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এসব অপকর্ম চালায় বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন  ঢাবির বিজয় একাত্তর হলে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

তিনি বলেন, “উদ্যান ও ক্যাম্পাসজুড়ে বসানো শতাধিক ভাসমান দোকান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজ নয়। এগুলো বসিয়েছে কিছু চাঁদাবাজ সংগঠনের লোকজন, যারা প্রভাব খাটিয়ে সেগুলো থেকে অর্থ আদায় করে এবং সুরক্ষা দেয়।”

টিএসসি এলাকার চা দোকানগুলোকেও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ ধ্বংসের দায়ে অভিযুক্ত করেন সারজিস। তিনি বলেন, “টিএসসির মূল ক্যাফেটেরিয়াকে কার্যত অচল করে প্রায় ৩০টি চায়ের দোকান বসানো হয়েছে, যেখানে প্রতিদিন বহিরাগত, বখাটে, মাদকসেবীরা এসে পরিবেশ নষ্ট করছে।”

সারজিস আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যখন এইসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এগোয়, তখনই বাধা দেওয়া হয় এবং ক্ষমতার দাপট দেখানো হয়। দোয়েল চত্বর, মেট্রোরেল স্টেশন ও শহিদ মিনার এলাকার দোকানগুলোকেও তিনি একইভাবে দায়ী করেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমরা নিজেরা যখন ক্যাম্পাসে মাদক, অবৈধ দোকান আর বহিরাগতদের আমন্ত্রণ জানাই, তখন কোনো দুর্ঘটনার জন্য কেবল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ী করা কতটা যৌক্তিক?”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করে শিক্ষার্থীদের জন্য সুলভ ও নিরাপদ ক্যাফেটেরিয়া চালু করতে হবে। ক্যাম্পাসে যান চলাচল ও বহিরাগত প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।”

সবশেষে সারজিস আলম বলেন, “সাম্যের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যেন আর কোনো সাম্যকে হারাতে না হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাবি ভিসিকে দোষী দেখিয়ে মূল সত্য আড়াল করার পাঁয়তারা: সারজিসের অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:২৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘটে যাওয়া সাম্য হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। বুধবার (১৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার দায় ঢাবি প্রশাসনের ওপর চাপানো একটি অপচেষ্টা এবং সত্য আড়াল করার পাঁয়তারা।

সারজিস আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল ছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তমঞ্চসংলগ্ন এলাকা, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আওতার বাইরে। উদ্যানের ভেতরে চলা মাদক, চাঁদাবাজি ও অসামাজিক কার্যকলাপের পেছনে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের হাত রয়েছে, যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এসব অপকর্ম চালায় বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন  ঢাবি ও সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

তিনি বলেন, “উদ্যান ও ক্যাম্পাসজুড়ে বসানো শতাধিক ভাসমান দোকান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজ নয়। এগুলো বসিয়েছে কিছু চাঁদাবাজ সংগঠনের লোকজন, যারা প্রভাব খাটিয়ে সেগুলো থেকে অর্থ আদায় করে এবং সুরক্ষা দেয়।”

টিএসসি এলাকার চা দোকানগুলোকেও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ ধ্বংসের দায়ে অভিযুক্ত করেন সারজিস। তিনি বলেন, “টিএসসির মূল ক্যাফেটেরিয়াকে কার্যত অচল করে প্রায় ৩০টি চায়ের দোকান বসানো হয়েছে, যেখানে প্রতিদিন বহিরাগত, বখাটে, মাদকসেবীরা এসে পরিবেশ নষ্ট করছে।”

সারজিস আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যখন এইসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এগোয়, তখনই বাধা দেওয়া হয় এবং ক্ষমতার দাপট দেখানো হয়। দোয়েল চত্বর, মেট্রোরেল স্টেশন ও শহিদ মিনার এলাকার দোকানগুলোকেও তিনি একইভাবে দায়ী করেন।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমরা নিজেরা যখন ক্যাম্পাসে মাদক, অবৈধ দোকান আর বহিরাগতদের আমন্ত্রণ জানাই, তখন কোনো দুর্ঘটনার জন্য কেবল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ী করা কতটা যৌক্তিক?”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করে শিক্ষার্থীদের জন্য সুলভ ও নিরাপদ ক্যাফেটেরিয়া চালু করতে হবে। ক্যাম্পাসে যান চলাচল ও বহিরাগত প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।”

সবশেষে সারজিস আলম বলেন, “সাম্যের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যেন আর কোনো সাম্যকে হারাতে না হয়।