ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

শাহরিয়ার সাম্য হত্যাকাণ্ড: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এখন ‘অপরাধের স্বর্গরাজ্য’: হাসনাত আব্দুল্লাহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 451

ছবি সংগৃহীত

 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এখন অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে এমনই মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য নিহতের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ জানিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলছে ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ

তিনি লেখেন, “আমাদের ভাই সাম্যর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর অন্তত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অপরাধচক্র, মাদক কারবার ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়।”

নিহত সাম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাস্টার্স ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি, তিনি স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। তার বাবার নাম ফখরুল আলম।

পুলিশ ও সহপাঠীদের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে মোটরসাইকেল চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন সাম্য। এসময় আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে দুইপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ।

ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা সাম্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ডান রানে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

তার বন্ধুরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সাম্যর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। রাতেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে তারা পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ মিছিল করে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনও পর্যন্ত ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তবে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহরিয়ার সাম্য হত্যাকাণ্ড: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এখন ‘অপরাধের স্বর্গরাজ্য’: হাসনাত আব্দুল্লাহ

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এখন অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে এমনই মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য নিহতের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ জানিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  ভূখণ্ড ভাগ করার ষড়যন্ত্র চলছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

তিনি লেখেন, “আমাদের ভাই সাম্যর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর অন্তত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অপরাধচক্র, মাদক কারবার ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়।”

নিহত সাম্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাস্টার্স ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি, তিনি স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। তার বাবার নাম ফখরুল আলম।

পুলিশ ও সহপাঠীদের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে মোটরসাইকেল চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তমঞ্চের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন সাম্য। এসময় আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে দুইপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ।

ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা সাম্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ডান রানে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

তার বন্ধুরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সাম্যর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। রাতেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে তারা পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ মিছিল করে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনও পর্যন্ত ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তবে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।