ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

স্বাধীনতার পর জাতির সম্পদ লুটকারীদের শ্বেতপত্র উন্মোচনের দাবি জামায়াত আমিরের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 291

ছবি সংগৃহীত

 

স্বাধীনতার পর থেকে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও পাচারে জড়িত, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত দলের জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর যেভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি ও বিদেশে পাচার হয়েছে, তা জাতির সামনে উন্মোচন করা জরুরি। এজন্য একটি নিরপেক্ষ শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে, যাতে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয় এবং জনমনে আস্থা ফিরে আসে।”

আরও পড়ুন  লন্ডনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ  

জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অন্তত ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। “এই বিপুল অর্থ কীভাবে, কার মাধ্যমে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পাচার হলো, তা প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি,” বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের রোজার আগ পর্যন্ত সময়টা এক ধরনের উপযোগী সময় হতে পারে। তবে সংস্কার কার্যক্রম ও দুর্নীতির বিচার প্রক্রিয়া যদি জনগণের আস্থা অর্জনের পর্যায়ে না পৌঁছায়, তাহলে এপ্রিলের পর নির্বাচন না করাই শ্রেয়।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “বর্তমান আবহাওয়া ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের দুই-তৃতীয়াংশ সময় রোজা থাকবে। এই সময় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তাই নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “যদি সংস্কার কার্যক্রম প্রকৃত অর্থে গতিশীল হয় এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন, তাহলে সরকারের ঘোষিত ছয় মাস সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব।”

সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতার পর জাতির সম্পদ লুটকারীদের শ্বেতপত্র উন্মোচনের দাবি জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় ০৩:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

স্বাধীনতার পর থেকে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও পাচারে জড়িত, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত দলের জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর যেভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি ও বিদেশে পাচার হয়েছে, তা জাতির সামনে উন্মোচন করা জরুরি। এজন্য একটি নিরপেক্ষ শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে, যাতে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয় এবং জনমনে আস্থা ফিরে আসে।”

আরও পড়ুন  রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ, কিন্তু মুক্তির সূর্য উঠবেই: জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অন্তত ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। “এই বিপুল অর্থ কীভাবে, কার মাধ্যমে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পাচার হলো, তা প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি,” বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের রোজার আগ পর্যন্ত সময়টা এক ধরনের উপযোগী সময় হতে পারে। তবে সংস্কার কার্যক্রম ও দুর্নীতির বিচার প্রক্রিয়া যদি জনগণের আস্থা অর্জনের পর্যায়ে না পৌঁছায়, তাহলে এপ্রিলের পর নির্বাচন না করাই শ্রেয়।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “বর্তমান আবহাওয়া ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের দুই-তৃতীয়াংশ সময় রোজা থাকবে। এই সময় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তাই নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “যদি সংস্কার কার্যক্রম প্রকৃত অর্থে গতিশীল হয় এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন, তাহলে সরকারের ঘোষিত ছয় মাস সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব।”

সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।