ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

স্বাধীনতার পর জাতির সম্পদ লুটকারীদের শ্বেতপত্র উন্মোচনের দাবি জামায়াত আমিরের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 385

ছবি সংগৃহীত

 

স্বাধীনতার পর থেকে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও পাচারে জড়িত, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত দলের জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর যেভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি ও বিদেশে পাচার হয়েছে, তা জাতির সামনে উন্মোচন করা জরুরি। এজন্য একটি নিরপেক্ষ শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে, যাতে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয় এবং জনমনে আস্থা ফিরে আসে।”

আরও পড়ুন  দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দুটি নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি: জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অন্তত ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। “এই বিপুল অর্থ কীভাবে, কার মাধ্যমে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পাচার হলো, তা প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি,” বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের রোজার আগ পর্যন্ত সময়টা এক ধরনের উপযোগী সময় হতে পারে। তবে সংস্কার কার্যক্রম ও দুর্নীতির বিচার প্রক্রিয়া যদি জনগণের আস্থা অর্জনের পর্যায়ে না পৌঁছায়, তাহলে এপ্রিলের পর নির্বাচন না করাই শ্রেয়।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “বর্তমান আবহাওয়া ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের দুই-তৃতীয়াংশ সময় রোজা থাকবে। এই সময় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তাই নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “যদি সংস্কার কার্যক্রম প্রকৃত অর্থে গতিশীল হয় এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন, তাহলে সরকারের ঘোষিত ছয় মাস সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব।”

সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতার পর জাতির সম্পদ লুটকারীদের শ্বেতপত্র উন্মোচনের দাবি জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় ০৩:০৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

স্বাধীনতার পর থেকে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও পাচারে জড়িত, তাদের বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত দলের জেলা ও মহানগর আমিরদের সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর যেভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি ও বিদেশে পাচার হয়েছে, তা জাতির সামনে উন্মোচন করা জরুরি। এজন্য একটি নিরপেক্ষ শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে, যাতে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হয় এবং জনমনে আস্থা ফিরে আসে।”

আরও পড়ুন  শ্রমিক-মালিকের সুসম্পর্ক ছাড়া টেকসই বাংলাদেশ সম্ভব নয় : জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অন্তত ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। “এই বিপুল অর্থ কীভাবে, কার মাধ্যমে এবং কোন প্রক্রিয়ায় পাচার হলো, তা প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি,” বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের রোজার আগ পর্যন্ত সময়টা এক ধরনের উপযোগী সময় হতে পারে। তবে সংস্কার কার্যক্রম ও দুর্নীতির বিচার প্রক্রিয়া যদি জনগণের আস্থা অর্জনের পর্যায়ে না পৌঁছায়, তাহলে এপ্রিলের পর নির্বাচন না করাই শ্রেয়।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “বর্তমান আবহাওয়া ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মার্চের দুই-তৃতীয়াংশ সময় রোজা থাকবে। এই সময় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হবে। তাই নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।”

নির্বাচনের পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “যদি সংস্কার কার্যক্রম প্রকৃত অর্থে গতিশীল হয় এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেন, তাহলে সরকারের ঘোষিত ছয় মাস সময়ের মধ্যেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব।”

সম্মেলনে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং অর্থ পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন।