ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের

ট্রাম্পের “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রকল্পে শীর্ষে স্পেসএক্স

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 484

ছবি সংগৃহীত

 

ইলন মাস্কের স্পেস-X, প্যালান্টির এবং অ্যান্ডুরিল মিলে এগিয়ে চলছে ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষী “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাণে।

স্পেস-X ৪০০ থেকে ১,০০০-এরও বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে, যেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি শনাক্ত ও ট্র্যাক করবে।
এর পাশাপাশি ২০০টি অস্ত্রসজ্জিত স্যাটেলাইট মোতায়েন করা হবে এগুলো প্রতিহত করার জন্য।

আরও পড়ুন  ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা নিরসনে সহায়তা দিতে চেয়েছিলেন পুতিন :ট্রাম্প

এই প্রকল্পে স্পেস-X এর মূল লক্ষ্য হলো ‘কাস্টডি লেয়ার’ তথা আসন্ন হুমকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি তৈরি করা।

প্রকল্পটির প্রাথমিক প্রকৌশল ব্যয় আনুমানিক ৬ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।
মাস্ক প্রস্তাব দিয়েছেন, এই সিস্টেম যুক্তরাষ্ট্র কিনবে না, বরং সাবস্ক্রিপশন মডেলে এর অ্যাক্সেসের জন্য অর্থ প্রদান করবে।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন—এই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যেতে পারে

এই প্রকল্পে যুক্ত তিনটি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা ট্রাম্পপন্থী হিসেবে পরিচিত—শুধু মাস্কই ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পকে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রকল্পে শীর্ষে স্পেসএক্স

আপডেট সময় ০৪:০০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

 

ইলন মাস্কের স্পেস-X, প্যালান্টির এবং অ্যান্ডুরিল মিলে এগিয়ে চলছে ট্রাম্পের উচ্চাকাঙ্ক্ষী “গোল্ডেন ডোম” ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নির্মাণে।

স্পেস-X ৪০০ থেকে ১,০০০-এরও বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করছে, যেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি শনাক্ত ও ট্র্যাক করবে।
এর পাশাপাশি ২০০টি অস্ত্রসজ্জিত স্যাটেলাইট মোতায়েন করা হবে এগুলো প্রতিহত করার জন্য।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে উল্লাসে মেতে উঠলো সিরিয়ার জনতা

এই প্রকল্পে স্পেস-X এর মূল লক্ষ্য হলো ‘কাস্টডি লেয়ার’ তথা আসন্ন হুমকি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি তৈরি করা।

প্রকল্পটির প্রাথমিক প্রকৌশল ব্যয় আনুমানিক ৬ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার।
মাস্ক প্রস্তাব দিয়েছেন, এই সিস্টেম যুক্তরাষ্ট্র কিনবে না, বরং সাবস্ক্রিপশন মডেলে এর অ্যাক্সেসের জন্য অর্থ প্রদান করবে।

এদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন—এই ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যেতে পারে

এই প্রকল্পে যুক্ত তিনটি কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতারা ট্রাম্পপন্থী হিসেবে পরিচিত—শুধু মাস্কই ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পকে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন।