ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

লন্ডনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ  

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 301

ছবি সংগৃহীত

 

লন্ডনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনের বাসভবনে গিয়ে এই সাক্ষাৎ করেন।

ঘটনাটি সামনে আসে মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাতে বেগম জিয়ার সাবেক প্রেসসচিব, প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক মারুফ কামাল খানের একটি ফেসবুক পোস্টে। সেখানে তিনি জানান, ইউরোপ সফর শেষে জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা লন্ডন গিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং এর কিছুদিন পরই দেশে ফিরে আসেন।

আরও পড়ুন  বাজেটে বৈষম্যের প্রতিফলন, বিএনপির ১৮০ দিনের রূপরেখা ঘোষণা আমির খসরুর

মারুফ কামাল উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সাক্ষাতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে বেগম জিয়া তারেক রহমানের বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তবে এই আলোচিত সাক্ষাতে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সাক্ষাৎ হয়তো ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে, আবার এটিকে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবেও দেখা যেতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোর গতিপ্রকৃতির ওপর।

এর আগেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যক্তিত্ব বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানা যায়। মারুফ কামাল তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার আগে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সস্ত্রীক খালেদা জিয়ার ঢাকার বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেন। সেই সাক্ষাৎ সম্পর্কেও তেমন কিছু প্রকাশ্যে আসেনি।

রাজনীতির আড়ালে এই ধরনের সাক্ষাৎ ও নীরব আলোচনা কি শুধুই ব্যক্তিগত সৌজন্য, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে বড় কোনো কৌশলগত অঙ্ক তা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে রাজনীতির পরবর্তী ধাপের জন্য। তবে এমন সময়ে জামায়াত ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে, যা নতুন কোনো সমীকরণের ইঙ্গিত হিসেবেও ধরা হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

লন্ডনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ  

আপডেট সময় ১১:৪৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

লন্ডনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লন্ডনের বাসভবনে গিয়ে এই সাক্ষাৎ করেন।

ঘটনাটি সামনে আসে মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাতে বেগম জিয়ার সাবেক প্রেসসচিব, প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক মারুফ কামাল খানের একটি ফেসবুক পোস্টে। সেখানে তিনি জানান, ইউরোপ সফর শেষে জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা লন্ডন গিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং এর কিছুদিন পরই দেশে ফিরে আসেন।

আরও পড়ুন  গণতন্ত্রের উত্তরণে বাধা দিতে ‘ভয়ংকর চক্রান্ত’ চলছে: মির্জা ফখরুল

মারুফ কামাল উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সাক্ষাতে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে বেগম জিয়া তারেক রহমানের বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তবে এই আলোচিত সাক্ষাতে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সাক্ষাৎ হয়তো ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে, আবার এটিকে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবেও দেখা যেতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে আগামী দিনগুলোর গতিপ্রকৃতির ওপর।

এর আগেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যক্তিত্ব বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানা যায়। মারুফ কামাল তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার আগে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সস্ত্রীক খালেদা জিয়ার ঢাকার বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেন। সেই সাক্ষাৎ সম্পর্কেও তেমন কিছু প্রকাশ্যে আসেনি।

রাজনীতির আড়ালে এই ধরনের সাক্ষাৎ ও নীরব আলোচনা কি শুধুই ব্যক্তিগত সৌজন্য, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে বড় কোনো কৌশলগত অঙ্ক তা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে রাজনীতির পরবর্তী ধাপের জন্য। তবে এমন সময়ে জামায়াত ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে, যা নতুন কোনো সমীকরণের ইঙ্গিত হিসেবেও ধরা হতে পারে।