ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ঢাকায় সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শন, গাজীপুরের ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 238

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা: সাবেক দুই মার্কিন রাষ্ট্রদূত, উইলিয়াম বি মাইলাম ও জন ড্যানিলোভিজ, বুধবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শন করেছেন। সকাল ১০টার দিকে তারা ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। তাদের এই পরিদর্শন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এদিকে, গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় ২০১৯ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ওসি কে এম আশরাফ উদ্দিন, কনস্টেবল আকরাম, শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল ফাহিম হাসান, এবং কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান। ট্রাইব্যুনালে তাদের হাজির করানোর সময় মামলা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন গাড়ি শিল্পে স্বস্তি আনতে শুল্ক হ্রাসের পথে ট্রাম্প প্রশাসন

এই মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছিল ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট, যখন কোনাবাড়ী থানার পাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত উশৃঙ্খলভাবে আচরণ করছিল। ওইদিন গাজীপুরের এক শিক্ষার্থী হৃদয়কে কিছু পুলিশ সদস্য রাস্তার পাশে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। তাকে চড়, থাপ্পড়, কিল, এবং ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। এক পর্যায়ে কনস্টেবল আকরাম এসে হৃদয়ের পিঠে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করেন।

এই ভয়াবহ ঘটনাটি সেসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন জানিয়েছে, হৃদয় হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত ৫ পুলিশ কর্মকর্তা।

তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মানবিক মর্যাদার চরম লঙ্ঘন, যা বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব পাবে। এসব ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা তৈরি করেছে, এবং যথাযথ তদন্ত ও বিচার দাবি করছে সুশীল সমাজ।

এই ঘটনায় সবার দৃষ্টি এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওপর, এবং তার বিচার প্রক্রিয়া কি রূপ নেবে, তা সময়ই বলে দিবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকায় সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শন, গাজীপুরের ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:২৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা: সাবেক দুই মার্কিন রাষ্ট্রদূত, উইলিয়াম বি মাইলাম ও জন ড্যানিলোভিজ, বুধবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শন করেছেন। সকাল ১০টার দিকে তারা ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। তাদের এই পরিদর্শন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এদিকে, গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় ২০১৯ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ওসি কে এম আশরাফ উদ্দিন, কনস্টেবল আকরাম, শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল ফাহিম হাসান, এবং কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান। ট্রাইব্যুনালে তাদের হাজির করানোর সময় মামলা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে হত্যার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের: মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি

এই মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনা ঘটেছিল ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট, যখন কোনাবাড়ী থানার পাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত উশৃঙ্খলভাবে আচরণ করছিল। ওইদিন গাজীপুরের এক শিক্ষার্থী হৃদয়কে কিছু পুলিশ সদস্য রাস্তার পাশে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। তাকে চড়, থাপ্পড়, কিল, এবং ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। এক পর্যায়ে কনস্টেবল আকরাম এসে হৃদয়ের পিঠে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করেন।

এই ভয়াবহ ঘটনাটি সেসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা দেশব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন জানিয়েছে, হৃদয় হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত ৫ পুলিশ কর্মকর্তা।

তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মানবিক মর্যাদার চরম লঙ্ঘন, যা বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব পাবে। এসব ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা তৈরি করেছে, এবং যথাযথ তদন্ত ও বিচার দাবি করছে সুশীল সমাজ।

এই ঘটনায় সবার দৃষ্টি এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওপর, এবং তার বিচার প্রক্রিয়া কি রূপ নেবে, তা সময়ই বলে দিবে।