ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

সংবিধানে ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট, দায়মুক্তি পাবেন জুলাইযোদ্ধারা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 38

ছবি সংগৃহীত

 

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও বাধ্যতামূলক গণভোটের বিধান সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করতে সংবিধানে এ-সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য বিভ্রান্তিকর: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী প্রক্রিয়ায় গঠিত হবে এবং এতে কারা থাকবেন, তা সংসদে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে বর্তমানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করে এমন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রণয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে সহজে কোনো পরিবর্তন আনা না যায়, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতিকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে রাখার বিধান নিয়ে অতীতে বিতর্ক হয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতিকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে না রাখাই ভালো হবে বলে তারা মনে করছেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে প্রস্তাব আসতে পারে। এ ছাড়া সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি, আইনজীবী, আইন বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের সুরক্ষার জন্য যে আইন করা হয়েছে, সেটি অধ্যাদেশ থেকে আইনে পরিণত করা হয়েছে। এখন জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করতে বিষয়টি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বৈঠকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অবদান রাখা শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি, আহত জুলাইযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠনের মোট ৬৩ জন অংশ নেন। তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জুলাই ঘোষণাপত্রকে সংবিধানে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা, জুলাইযোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরেন।

আলোচনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের উপযুক্ত অংশে স্থায়ীভাবে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জুলাইযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও আইনি জটিলতা নিরসন এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়েও মতামত আসে। গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত শেষ করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যার বিচার প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ও জঘন্য হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের, শেখ হাসিনা ও তাঁর দোসরসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিচার দ্রুত করা হোক।

তিনি বলেন, বিচার দ্রুত করতে সরকার আন্তরিক। বিচারপ্রক্রিয়া স্বাধীনভাবে চলছে এবং নির্ধারিত আইন অনুযায়ী আদালত কাজ করবে। তবে তদন্ত, প্রসিকিউশন ও অভিযোগ গঠনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কাজগুলো দ্রুততার সঙ্গে করা হবে।

বৈঠকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী করতে বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব ও মতামত দেওয়া হয়। পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাজনীতিতে তাদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিদের দেওয়া সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো কমিটির বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। আলোচনার বাইরে কারও লিখিত প্রস্তাব থাকলে তা কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতিথিরা জুলাই ও গণ-অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি চান। বিশেষ করে জুলাই ঘোষণাপত্রের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সংবিধানের উপযুক্ত জায়গায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে তারা মত দিয়েছেন। কেউ কেউ এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল ও শক্তি যেভাবে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে কমিটি এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, আইন বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব প্রত্যাশা করছে কমিটি। তাদের মতামত পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক এবং সাকিলা ফারজানা অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবিধানে ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট, দায়মুক্তি পাবেন জুলাইযোদ্ধারা

আপডেট সময় ০১:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

 

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও বাধ্যতামূলক গণভোটের বিধান সংবিধানে পুনঃস্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করতে সংবিধানে এ-সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য বিভ্রান্তিকর: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী প্রক্রিয়ায় গঠিত হবে এবং এতে কারা থাকবেন, তা সংসদে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে বর্তমানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করে এমন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রণয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে সহজে কোনো পরিবর্তন আনা না যায়, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতিকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে রাখার বিধান নিয়ে অতীতে বিতর্ক হয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতিকে সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে না রাখাই ভালো হবে বলে তারা মনে করছেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে প্রস্তাব আসতে পারে। এ ছাড়া সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি, আইনজীবী, আইন বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের সুরক্ষার জন্য যে আইন করা হয়েছে, সেটি অধ্যাদেশ থেকে আইনে পরিণত করা হয়েছে। এখন জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করতে বিষয়টি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বৈঠকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অবদান রাখা শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি, আহত জুলাইযোদ্ধাসহ বিভিন্ন সংগঠনের মোট ৬৩ জন অংশ নেন। তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, জুলাই ঘোষণাপত্রকে সংবিধানে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা, জুলাইযোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরেন।

আলোচনায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের উপযুক্ত অংশে স্থায়ীভাবে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জুলাইযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও আইনি জটিলতা নিরসন এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়েও মতামত আসে। গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত শেষ করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যার বিচার প্রসঙ্গে কমিটির সভাপতি বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ও জঘন্য হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের, শেখ হাসিনা ও তাঁর দোসরসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিচার দ্রুত করা হোক।

তিনি বলেন, বিচার দ্রুত করতে সরকার আন্তরিক। বিচারপ্রক্রিয়া স্বাধীনভাবে চলছে এবং নির্ধারিত আইন অনুযায়ী আদালত কাজ করবে। তবে তদন্ত, প্রসিকিউশন ও অভিযোগ গঠনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কাজগুলো দ্রুততার সঙ্গে করা হবে।

বৈঠকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী করতে বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব ও মতামত দেওয়া হয়। পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাজনীতিতে তাদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিদের দেওয়া সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো কমিটির বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। আলোচনার বাইরে কারও লিখিত প্রস্তাব থাকলে তা কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অতিথিরা জুলাই ও গণ-অভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি চান। বিশেষ করে জুলাই ঘোষণাপত্রের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সংবিধানের উপযুক্ত জায়গায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে তারা মত দিয়েছেন। কেউ কেউ এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল ও শক্তি যেভাবে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে কমিটি এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। সংবিধান বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, আইন বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব প্রত্যাশা করছে কমিটি। তাদের মতামত পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক এবং সাকিলা ফারজানা অংশ নেন।