শিশুদের শৈশব নিরাপদ করতে হবে: জুবাইদা রহমান
- আপডেট সময় ০৮:১৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / 15
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, শিশুদের শৈশব নিরাপদ এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হলে তারা নতুন উদ্যমে নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হবে। শিশুদের প্রতিভা বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান ডা. জুবাইদা রহমান।
তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা ও প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভা বিকাশে শিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠার পর নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পাঁচ দশক ধরে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শিশু একাডেমির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অসংখ্য শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে আরও আধুনিক ও সর্বজনীন করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সুবর্ণজয়ন্তীর এই শুভক্ষণে নতুন উদ্যোগ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সব শিশুর কাছে প্রতিষ্ঠানটিকে পৌঁছে দিতে হবে। আগামী দিনেও শিশু একাডেমি শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের একটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সকল বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তারা যেন বিকশিত হয় এবং আশা-আকাঙ্ক্ষার সার্থকতার আলোকরশ্মি দু’হাতে বরণ করে নেয়।
প্রত্যেক শিশুর মধ্যে থাকা সম্ভাবনাকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন উদ্যম ও নতুন উদ্যোগে শিশুরা ইনশাআল্লাহ সফল হবে।
তিনি বলেন, প্রতিটি শৈশব নিরাপদ হোক, প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হোক—এটাই তাদের কামনা।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তারা শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।





















