আজ ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে একাধিক কর্মসূচি
- আপডেট সময় ০৪:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / 25
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) একদিনের সফরে ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ, রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টায় গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে যাত্রা শুরু করবেন তিনি পরশুরামের উদ্দেশে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘাটঘর-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছে তিনি উদ্বোধন করবেন ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ প্রকল্প। এখানে স্থানীয় জনগণের সঙ্গেও কুশল বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর দুপুর সোয়া ১টায় পরশুরাম থেকে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে যাবেন তিনি এবং দেড়টার দিকে অংশ নেবেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে। বেলা ২টায় ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় পৌঁছে রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তিনি। এরপর ডাকবাংলোতেই মধ্যাহ্নভোজ সারবেন এবং কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেবেন।
বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। যেখানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করবেন। এই অনুষ্ঠানেই মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিতদের হাতে সম্মানী তুলে দেওয়া হবে।
সব কর্মসূচি সম্পন্ন করে বিকেল সাড়ে ৫টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে ফেনী ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, পরশুরামে উদ্বোধনযোগ্য মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা, যা গত ১৬ জুন একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের কাজের মধ্যে রয়েছে ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন। পাশাপাশি ২৭টি সেচ অবকাঠামোর পুনর্বাসন ও ৭৭টি ইনলেট নির্মাণেরও পরিকল্পনা আছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর প্রথমে ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করে নতুন তারিখ ১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।












