ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 142

ছবি: সংগৃহীত

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগের দাবিতে উত্তাল শাহবাগ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টা থেকে শিক্ষকরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করলে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

দফায় দফায় লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেও আন্দোলন দমানো সম্ভব হয়নি। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপেও টলেনি আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

আরও পড়ুন  ভালোবাসায় প্রিয় শিক্ষককে বিদায়

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ প্রথমে আন্দোলনকারীদের সরে যেতে অনুরোধ করলেও তারা অনড় থাকেন। বেলা দুইটার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করলে শিক্ষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকজনকে আটক করেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। বিশেষ করে নারী শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এখনও শাহবাগ মোড়েই অবস্থান করছেন।

আন্দোলনরতদের স্লোগানে বারবার উঠে আসে ‘আমরা ন্যায্যতা চাই, আমরা বিচার চাই’, ‘পুলিশি হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘দাবি আদায় না হলে রাজপথ ছাড়বো না’ ইত্যাদি প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।

সরেজমিনে দেখা যায়, টিয়ারশেলের ধোঁয়া উপেক্ষা করেই আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে আছেন। পুলিশের লাঠিচার্জেও পিছু হটতে নারাজ তারা। শিক্ষকরা বলছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে অবরোধের কারণে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ

আপডেট সময় ০৫:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগের দাবিতে উত্তাল শাহবাগ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টা থেকে শিক্ষকরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করলে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

দফায় দফায় লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেও আন্দোলন দমানো সম্ভব হয়নি। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপেও টলেনি আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

আরও পড়ুন  শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের করা উচিত নয়: শিক্ষা উপদেষ্টা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ প্রথমে আন্দোলনকারীদের সরে যেতে অনুরোধ করলেও তারা অনড় থাকেন। বেলা দুইটার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করলে শিক্ষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকজনকে আটক করেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। বিশেষ করে নারী শিক্ষকদের একটি বড় অংশ এখনও শাহবাগ মোড়েই অবস্থান করছেন।

আন্দোলনরতদের স্লোগানে বারবার উঠে আসে ‘আমরা ন্যায্যতা চাই, আমরা বিচার চাই’, ‘পুলিশি হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘দাবি আদায় না হলে রাজপথ ছাড়বো না’ ইত্যাদি প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।

সরেজমিনে দেখা যায়, টিয়ারশেলের ধোঁয়া উপেক্ষা করেই আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে আছেন। পুলিশের লাঠিচার্জেও পিছু হটতে নারাজ তারা। শিক্ষকরা বলছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে অবরোধের কারণে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।