ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন সেতুমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 93

ছবি সংগৃহীত

 

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় চার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার, ২২ মে কুমিল্লায় জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড আয়োজিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় চেক বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন  কিংবদন্তি শতবর্ষী ম্যারাথন দৌড়বিদ ফৌজা শিং ওরফে ‘টারবানড টর্পেডো’ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

শেখ রবিউল আলম বলেন, তিনি অনুষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে চান না। যেসব পরিবার দুর্ঘটনায় স্বজন হারিয়েছে, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। সম্প্রতি ঈদের আগে ঘটে যাওয়া একটি বড় দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে পরিস্থিতির উন্নতিতে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, পরিবহন মালিক, চালক ও সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আনফিট ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন সড়কে চলতে দেওয়া যাবে না এবং দক্ষ চালকের হাতেই যানবাহনের দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শেখ রবিউল আলম জানান, মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে আন্ডারপাস, ওভারপাস ও ইউটার্ন সুবিধা বাড়ানো গেলে দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আরও সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিয়েও সরকার ভাবছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে সেই পরিবারকে কীভাবে সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চাকরি ও অন্যান্য সেবায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জনগণকে সড়ক ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এর আগে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শন করেন সেতুমন্ত্রী। সেখানে টোল প্লাজার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন এবং যাত্রীসেবা আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন সেতুমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

 

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় চার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার, ২২ মে কুমিল্লায় জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড আয়োজিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় চেক বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় চিকিৎসকের মৃত্যু

শেখ রবিউল আলম বলেন, তিনি অনুষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে চান না। যেসব পরিবার দুর্ঘটনায় স্বজন হারিয়েছে, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। সম্প্রতি ঈদের আগে ঘটে যাওয়া একটি বড় দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে পরিস্থিতির উন্নতিতে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, পরিবহন মালিক, চালক ও সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আনফিট ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন সড়কে চলতে দেওয়া যাবে না এবং দক্ষ চালকের হাতেই যানবাহনের দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শেখ রবিউল আলম জানান, মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে আন্ডারপাস, ওভারপাস ও ইউটার্ন সুবিধা বাড়ানো গেলে দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আরও সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিয়েও সরকার ভাবছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে সেই পরিবারকে কীভাবে সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চাকরি ও অন্যান্য সেবায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জনগণকে সড়ক ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এর আগে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শন করেন সেতুমন্ত্রী। সেখানে টোল প্লাজার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন এবং যাত্রীসেবা আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।