ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক্সপ্রেসওয়ের মরদেহের পরিচয় মিলেছে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 26

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর মুখে টেপ মারা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। আঙুলের ছাপ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। ইসমাইল গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় থাকতেন।

বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ইসমাইলের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

ইসমাইল কী পেশায় ছিলেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। এসআই নজরুল বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এ বিষয়ে এখনো কথা হয়নি।

এর আগে শুক্রবার সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মুখে টেপ লাগানো ছিল। পরনে ছিল অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি।

পুরো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নিরাপত্তা ক্যামেরা রয়েছে। এরপরও কীভাবে মরদেহটি সেখানে এল, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

তবে পুলিশের ধারণা, কোনো একটি গাড়ি থেকে মরদেহটি এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে যাওয়া হয়েছে। এসআই নজরুল বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ইসমাইলকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গাড়িতে করে এনে মরদেহটি ফেলে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) ভিডিও সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানান এসআই নজরুল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এক্সপ্রেসওয়ের মরদেহের পরিচয় মিলেছে

আপডেট সময় ০১:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর মুখে টেপ মারা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। আঙুলের ছাপ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। ইসমাইল গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় থাকতেন।

বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে ইসমাইলের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

ইসমাইল কী পেশায় ছিলেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। এসআই নজরুল বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এ বিষয়ে এখনো কথা হয়নি।

এর আগে শুক্রবার সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মুখে টেপ লাগানো ছিল। পরনে ছিল অটোরিকশাচালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি।

পুরো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নিরাপত্তা ক্যামেরা রয়েছে। এরপরও কীভাবে মরদেহটি সেখানে এল, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

তবে পুলিশের ধারণা, কোনো একটি গাড়ি থেকে মরদেহটি এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে যাওয়া হয়েছে। এসআই নজরুল বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ইসমাইলকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গাড়িতে করে এনে মরদেহটি ফেলে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) ভিডিও সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানান এসআই নজরুল।