ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

এপ্রিল মাসেই ঝরল ৪৩৪ প্রাণ, শীর্ষে ঢাকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 74

ছবি সংগৃহীত

 

বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশের সড়ক, নৌ ও রেলপথ যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। মাসজুড়ে ছোট-বড় ৫০৪টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৩৪ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৭৩৭ জন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

আজ বুধবার (৬ মে) প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। মোট ১৭টি অনলাইন পোর্টাল, ৯টি জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রাণহানির বড় একটি অংশই ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।

আরও পড়ুন  সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে ঢাকা

এপ্রিলে ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১১৩ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ২৮ শতাংশ। এছাড়া রাস্তা পারাপার হতে গিয়ে ১০২ জন পথচারী প্রাণ হারিয়েছেন। পরিসংখ্যান বলছে, যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৪৬ জন।

দুর্ঘটনার স্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, আঞ্চলিক সড়কেই সবচেয়ে বেশি (৪১.৬৮%) দুর্ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় মহাসড়কে দুর্ঘটনার হার ৩৬.২৮ শতাংশ। দুর্ঘটনার ধরনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এবং মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ছিল সবচেয়ে বেশি। যানের তালিকায় ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও পিকআপের সম্পৃক্ততা ছিল আশঙ্কাজনক।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগ শীর্ষে রয়েছে। এই বিভাগে ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে। রাজধানী ঢাকায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হওয়ার তথ্য মিলেছে। নিহতদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৯ জন শিক্ষার্থী, ১৯ জন রাজনৈতিক কর্মী ও ১৪ জন এনজিও কর্মীসহ নানা পেশার মানুষ রয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ১১টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা অন্যতম। এছাড়া মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এপ্রিল মাসেই ঝরল ৪৩৪ প্রাণ, শীর্ষে ঢাকা

আপডেট সময় ০১:০৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশের সড়ক, নৌ ও রেলপথ যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল। মাসজুড়ে ছোট-বড় ৫০৪টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৩৪ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ৭৩৭ জন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

আজ বুধবার (৬ মে) প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। মোট ১৭টি অনলাইন পোর্টাল, ৯টি জাতীয় দৈনিক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রাণহানির বড় একটি অংশই ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।

আরও পড়ুন  ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে

এপ্রিলে ১৪২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১১৩ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ২৮ শতাংশ। এছাড়া রাস্তা পারাপার হতে গিয়ে ১০২ জন পথচারী প্রাণ হারিয়েছেন। পরিসংখ্যান বলছে, যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৪৬ জন।

দুর্ঘটনার স্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, আঞ্চলিক সড়কেই সবচেয়ে বেশি (৪১.৬৮%) দুর্ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় মহাসড়কে দুর্ঘটনার হার ৩৬.২৮ শতাংশ। দুর্ঘটনার ধরনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এবং মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ছিল সবচেয়ে বেশি। যানের তালিকায় ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও পিকআপের সম্পৃক্ততা ছিল আশঙ্কাজনক।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগ শীর্ষে রয়েছে। এই বিভাগে ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে। রাজধানী ঢাকায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত ও ৬৭ জন আহত হওয়ার তথ্য মিলেছে। নিহতদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৯ জন শিক্ষার্থী, ১৯ জন রাজনৈতিক কর্মী ও ১৪ জন এনজিও কর্মীসহ নানা পেশার মানুষ রয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ১১টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে বেপরোয়া গতি, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, চালকদের অদক্ষতা এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা অন্যতম। এছাড়া মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।