ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়নি: ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 82

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কোনো ধরনের কারচুপির অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশকালে মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেছে সংস্থাটি, যার মধ্যে ছয়টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিজি প্রেসের সাথে বৈঠকে বসবে ইসি

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইভার্স ইজাবস স্পষ্ট করে বলেন, এবারের নির্বাচনে কারচুপির কোনো প্রমাণ তাদের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েনি। তিনি উল্লেখ করেন, যদি কোনো রাজনৈতিক দলের এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তারা প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারেন। ইইউ মিশন মনে করে, ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে এমন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনমানুষের আস্থা পুনরায় ফিরে আসছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে এবং বিশেষ করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক। নির্বাচনের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ইভার্স ইজাবস তাঁর পর্যবেক্ষণে আরও উল্লেখ করেন, প্রার্থীরা অত্যন্ত স্বচ্ছভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানোর সুযোগ পেয়েছেন এবং যেকোনো রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংলাপের যথেষ্ট সুযোগ বিদ্যমান ছিল।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দলের মতে, নির্বাচন চলাকালে যখনই কোনো অভিযোগ এসেছে বা সংকট তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে সমাধান করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের গুণগত মান আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে তারা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সব পক্ষকে আরও জোরালোভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে ইইউর প্রতিবেদনে।

উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ সময় থেকে ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আসা ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দেশের ৬৪টি জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মিশনটি তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, যার চূড়ান্ত রূপ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়নি: ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন

আপডেট সময় ০৩:৪২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কোনো ধরনের কারচুপির অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশকালে মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেছে সংস্থাটি, যার মধ্যে ছয়টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিজি প্রেসের সাথে বৈঠকে বসবে ইসি

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইভার্স ইজাবস স্পষ্ট করে বলেন, এবারের নির্বাচনে কারচুপির কোনো প্রমাণ তাদের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েনি। তিনি উল্লেখ করেন, যদি কোনো রাজনৈতিক দলের এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে তারা প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারেন। ইইউ মিশন মনে করে, ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে এমন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনমানুষের আস্থা পুনরায় ফিরে আসছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে এবং বিশেষ করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক। নির্বাচনের প্রাথমিক ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ইভার্স ইজাবস তাঁর পর্যবেক্ষণে আরও উল্লেখ করেন, প্রার্থীরা অত্যন্ত স্বচ্ছভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানোর সুযোগ পেয়েছেন এবং যেকোনো রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংলাপের যথেষ্ট সুযোগ বিদ্যমান ছিল।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দলের মতে, নির্বাচন চলাকালে যখনই কোনো অভিযোগ এসেছে বা সংকট তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে সমাধান করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের গুণগত মান আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে তারা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সব পক্ষকে আরও জোরালোভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে ইইউর প্রতিবেদনে।

উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ সময় থেকে ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন বাংলাদেশে অবস্থান করছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের দিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছাড়াও কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আসা ২২৩ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দেশের ৬৪টি জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মিশনটি তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, যার চূড়ান্ত রূপ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হলো।