ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
চিকিৎসা সরঞ্জাম যাচ্ছে ভাঙারির দোকানে: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের অনুরোধে গাড়িবহর থামিয়ে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী যশোরে ঘুমের মধ্যে সাপের ছোবলে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু ভারতের বিয়েতে খাসির বদলে মুরগির মাংস, সংঘর্ষে আহত অন্তত ১২ রাজধানীর ধোলাইখালে সড়কে ধস, যান চলাচলে বিঘ্ন টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযান: পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা, আটক ২০ নওগাঁয় দম্পতির রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স ফেরত পাবে কি না, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়েই দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 129

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচন এবং খরচের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয় হতে হবে যৌক্তিক এবং কোনোভাবেই জাতীয় অর্থের অপচয় করা যাবে না। প্রতিটি খাতের খরচের ন্যায্যতা যাচাই-বাছাই করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি বলেছেন, আমাদের ব্যয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে হবে। বিশেষ করে প্রকল্পগুলোতে কোন কোন খাতে কেন খরচ হচ্ছে, সেই যৌক্তিকতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তিনি মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আজকের একনেক সভায় মোট ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প উপস্থাপিত হয়েছিল। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর এর মধ্যে ১৫টি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অধিকাংশেরই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়ন কাজের গুণমান এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কিছু প্রকল্প শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেয়েছে এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ডব্লিউইএফ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরলেন

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণ ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দিচ্ছেন। একনেকের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৭:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচন এবং খরচের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয় হতে হবে যৌক্তিক এবং কোনোভাবেই জাতীয় অর্থের অপচয় করা যাবে না। প্রতিটি খাতের খরচের ন্যায্যতা যাচাই-বাছাই করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি বলেছেন, আমাদের ব্যয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে হবে। বিশেষ করে প্রকল্পগুলোতে কোন কোন খাতে কেন খরচ হচ্ছে, সেই যৌক্তিকতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তিনি মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আজকের একনেক সভায় মোট ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প উপস্থাপিত হয়েছিল। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর এর মধ্যে ১৫টি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অধিকাংশেরই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়ন কাজের গুণমান এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কিছু প্রকল্প শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেয়েছে এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  জুমার নামাজে গিয়ে শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণ ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দিচ্ছেন। একনেকের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।