ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 215

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচন এবং খরচের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয় হতে হবে যৌক্তিক এবং কোনোভাবেই জাতীয় অর্থের অপচয় করা যাবে না। প্রতিটি খাতের খরচের ন্যায্যতা যাচাই-বাছাই করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি বলেছেন, আমাদের ব্যয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে হবে। বিশেষ করে প্রকল্পগুলোতে কোন কোন খাতে কেন খরচ হচ্ছে, সেই যৌক্তিকতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তিনি মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আজকের একনেক সভায় মোট ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প উপস্থাপিত হয়েছিল। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর এর মধ্যে ১৫টি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অধিকাংশেরই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়ন কাজের গুণমান এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কিছু প্রকল্প শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেয়েছে এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণ ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দিচ্ছেন। একনেকের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৭:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় সংকোচন এবং খরচের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি স্পষ্ট করেন যে, প্রতিটি প্রকল্পের ব্যয় হতে হবে যৌক্তিক এবং কোনোভাবেই জাতীয় অর্থের অপচয় করা যাবে না। প্রতিটি খাতের খরচের ন্যায্যতা যাচাই-বাছাই করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার বিষয়টি গণমাধ্যমকে অবহিত করেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। তিনি বলেছেন, আমাদের ব্যয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে হবে। বিশেষ করে প্রকল্পগুলোতে কোন কোন খাতে কেন খরচ হচ্ছে, সেই যৌক্তিকতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তিনি মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আজকের একনেক সভায় মোট ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প উপস্থাপিত হয়েছিল। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর এর মধ্যে ১৫টি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অধিকাংশেরই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়ন কাজের গুণমান এবং প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কিছু প্রকল্প শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেয়েছে এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধে জয়ের অঙ্গীকার কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বৈদেশিক ঋণ ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত তদারকির ওপর জোর দিচ্ছেন। একনেকের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।