ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের

জুলাই সনদ ও গণভোট ইস্যুতে সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 153

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে ‘জুলাই সনদ’ ও প্রস্তাবিত ‘গণভোট’ ইস্যুতে অসন্তোষ প্রকাশ করে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশন চলাকালে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই ঘোষণা দেন এবং সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।

অধিবেশনে জুলাই সনদ ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এই বিষয়টি কোনো নির্দিষ্ট দলের সাথে সম্পর্কিত নয়। নির্বাচনের আগে সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষই এ বিষয়ে একমত হয়েছিল। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত এর কোনো কার্যকর প্রতিকার পেলাম না। এটি কেবল আমাদের অবমূল্যায়ন নয়, বরং এতে দেশবাসীর রায়ের সঠিক প্রতিফলন ঘটল না।”

তিনি আরও যোগ করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে জনগণের প্রত্যাশার অবমূল্যায়ন বিরোধী দল মেনে নিতে পারে না। এই অবহেলার প্রতিবাদেই তারা প্রতিকী ওয়াকআউট করছেন।

আরও পড়ুন  গণভোটে নিরঙ্কুশ ‘হ্যাঁ’: রাষ্ট্রকাঠামোয় বড় পরিবর্তনের পথে বাংলাদেশ

উল্লেখ্য, এটি ত্রয়োদশ সংসদের চলতি অধিবেশনে বিরোধী দলের দ্বিতীয় ওয়াকআউট। এর আগে গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণকে কেন্দ্র করে একইভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেছিল বিরোধী দল।

বিরোধী দলের এই অবস্থানের বিপরীতে সরকারি দলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে বক্তব্য রাখছিলেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে বিরোধী দলের এই কঠোর অবস্থান সংসদের ভেতরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।

জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। বিরোধী দলের দাবি, এই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে গণভোট আয়োজন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। আজকের এই ওয়াকআউটের পর সংসদীয় কার্যক্রমে এর কী প্রভাব পড়ে, তা এখন দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই সনদ ও গণভোট ইস্যুতে সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

আপডেট সময় ০৬:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে ‘জুলাই সনদ’ ও প্রস্তাবিত ‘গণভোট’ ইস্যুতে অসন্তোষ প্রকাশ করে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশন চলাকালে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই ঘোষণা দেন এবং সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।

অধিবেশনে জুলাই সনদ ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এই বিষয়টি কোনো নির্দিষ্ট দলের সাথে সম্পর্কিত নয়। নির্বাচনের আগে সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষই এ বিষয়ে একমত হয়েছিল। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত এর কোনো কার্যকর প্রতিকার পেলাম না। এটি কেবল আমাদের অবমূল্যায়ন নয়, বরং এতে দেশবাসীর রায়ের সঠিক প্রতিফলন ঘটল না।”

তিনি আরও যোগ করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে জনগণের প্রত্যাশার অবমূল্যায়ন বিরোধী দল মেনে নিতে পারে না। এই অবহেলার প্রতিবাদেই তারা প্রতিকী ওয়াকআউট করছেন।

আরও পড়ুন  জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

উল্লেখ্য, এটি ত্রয়োদশ সংসদের চলতি অধিবেশনে বিরোধী দলের দ্বিতীয় ওয়াকআউট। এর আগে গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণকে কেন্দ্র করে একইভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেছিল বিরোধী দল।

বিরোধী দলের এই অবস্থানের বিপরীতে সরকারি দলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে বক্তব্য রাখছিলেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে বিরোধী দলের এই কঠোর অবস্থান সংসদের ভেতরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।

জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। বিরোধী দলের দাবি, এই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে গণভোট আয়োজন করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। আজকের এই ওয়াকআউটের পর সংসদীয় কার্যক্রমে এর কী প্রভাব পড়ে, তা এখন দেখার বিষয়।