ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

রাজারবাগে হামলা ও স্বাধীনতার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / 143

ছবি: সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৫ মার্চের কালরাতের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালের সেই রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পাকহানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলা বাঙালি জাতিকে তাৎক্ষণিক স্বাধীনতার ঘোষণায় বাধ্য করেছিল।

তাঁর মতে, যদি সেই রাতে এই পরিকল্পিত গণহত্যা শুরু না হতো, তবে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়তো আরও দু-একদিন পরে আসতে পারত। রাজারবাগকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনালগ্ন এবং গণহত্যার প্রথম ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান যে, এখান থেকেই পরবর্তীকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য স্থানে আক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান যখন রাজারবাগে এই গণহত্যার খবর পান, তখন তিনি পাক কমান্ডারের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিদ্রোহের সিদ্ধান্ত নেন।
ষোলশহরে নিজের সামরিক বেইজে ফিরে গিয়ে তিনি বাঙালি অফিসারদের নিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বিশ্ববাসীর সমর্থন কামনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা প্রচার করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, রাজারবাগের পুলিশ বাহিনীর আত্মত্যাগই ছিল মূলত স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার মূল অনুপ্রেরণা।

আরও পড়ুন  নেপালের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রেপ্তার

দীর্ঘ কয়েক বছর বিরতির পর এবার স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ পুনরায় শুরু হওয়াকে তিনি জাতীয় জীবনের জন্য এক আনন্দের বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক যাত্রায় শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ও জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজারবাগে হামলা ও স্বাধীনতার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তৈরি করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৫ মার্চের কালরাতের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালের সেই রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পাকহানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলা বাঙালি জাতিকে তাৎক্ষণিক স্বাধীনতার ঘোষণায় বাধ্য করেছিল।

তাঁর মতে, যদি সেই রাতে এই পরিকল্পিত গণহত্যা শুরু না হতো, তবে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়তো আরও দু-একদিন পরে আসতে পারত। রাজারবাগকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনালগ্ন এবং গণহত্যার প্রথম ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান যে, এখান থেকেই পরবর্তীকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য স্থানে আক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান যখন রাজারবাগে এই গণহত্যার খবর পান, তখন তিনি পাক কমান্ডারের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিদ্রোহের সিদ্ধান্ত নেন।
ষোলশহরে নিজের সামরিক বেইজে ফিরে গিয়ে তিনি বাঙালি অফিসারদের নিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বিশ্ববাসীর সমর্থন কামনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা প্রচার করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, রাজারবাগের পুলিশ বাহিনীর আত্মত্যাগই ছিল মূলত স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার মূল অনুপ্রেরণা।

আরও পড়ুন  একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

দীর্ঘ কয়েক বছর বিরতির পর এবার স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ পুনরায় শুরু হওয়াকে তিনি জাতীয় জীবনের জন্য এক আনন্দের বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক যাত্রায় শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ও জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।