ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

উত্তেজনায় রণক্ষেত্রে পরিণত গোপালগঞ্জ, ১৪৪ ধারা জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 536

ছবি সংগৃহীত

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষে ফেরার পথে গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে লঞ্চঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, দুপুর আড়াইটার দিকে সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িবহর নিয়ে শহরের লঞ্চঘাট এলাকা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ করে তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু হয়। এতে গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নেতাকর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, এ হামলার সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জড়িত।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জের প্রশাসনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর দাবি জামায়াত নেতা হাফিজের

এ ঘটনায় পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, ফাঁকা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনসিপির সমাবেশস্থলের মঞ্চ ও চেয়ার রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। শহরের লঞ্চঘাট ও পৌর পার্ক এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। দোকানপাট বন্ধ রয়েছে, রাস্তায় যান চলাচলও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।

শহরের সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক এক ঘোষণার মাধ্যমে ১৪৪ ধারা জারির কথা জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। কোনো হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি, তবে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এনসিপির নেতারা অভিযোগ করেছেন, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকার দলীয় লোকজন পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে তারা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তেজনায় রণক্ষেত্রে পরিণত গোপালগঞ্জ, ১৪৪ ধারা জারি

আপডেট সময় ০৪:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষে ফেরার পথে গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে লঞ্চঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, দুপুর আড়াইটার দিকে সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িবহর নিয়ে শহরের লঞ্চঘাট এলাকা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ করে তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু হয়। এতে গাড়িগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং নেতাকর্মীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, এ হামলার সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জড়িত।

আরও পড়ুন  শরীয়তপুরে আধিপত্য নিয়ে রণক্ষেত্র জাজিরা, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

এ ঘটনায় পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, ফাঁকা গুলি ও রাবার বুলেট ছুড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনসিপির সমাবেশস্থলের মঞ্চ ও চেয়ার রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। শহরের লঞ্চঘাট ও পৌর পার্ক এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। দোকানপাট বন্ধ রয়েছে, রাস্তায় যান চলাচলও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।

শহরের সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক এক ঘোষণার মাধ্যমে ১৪৪ ধারা জারির কথা জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। কোনো হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি, তবে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এনসিপির নেতারা অভিযোগ করেছেন, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকার দলীয় লোকজন পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে তারা।