ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দুই দশক পর ট্রাফিক পুলিশের শাস্তি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 523

ছবি সংগৃহীত

 

২০০৬ সালের বাসাবো ঘটনার ধর্ষণ মামলায় পলাতক আসামি ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা মো. আজাদুলের বিরুদ্ধে সাজা-পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল‑৫ এর বিচারক মো. শামছুল ইসলাম। বিষয়টি গতকাল মঙ্গলবার আদালতে ঘোষণা করেন তিনি, নিশ্চিত করেছেন বেঞ্চ সহকারী মো. কামাল হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ময়মনসিংহ থেকে গৃহকাজের উদ্দেশে মামার সঙ্গে ঢাকায় আসা ১২ বছরের এক শিশু ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে গৃহকর্তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাসা ছেড়ে পালিয়ে যায়। যাত্রাবাড়ী মোড়ে কান্নারত অবস্থায় তাকে দেখতে পান ট্রাফিক কনস্টেবল আজাদুল। ‘মহাখালী পৌঁছে দেব’ বলে বিশ্বাস অর্জন করে তিনি শিশুটিকে নিজ বাসায় নিয়ে যান এবং টানা নয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। পরে এলাকার মানুষের খবর পেয়ে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রীরা শিশুটিকে উদ্ধার করেন। ওই বছরের ১৯ এপ্রিল সবুজবাগ থানায় ধর্ষণের মামলা করেন ভুক্তভোগী।

আরও পড়ুন  সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

২০১৮ সালে ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ তানজিনা ঈসমাইল মামলার রায় দেন—আজাদুলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, যার অর্ধেক ভুক্তভোগীকে দিতে নির্দেশনা ছিল। কিন্তু আসামি পলাতক থাকায় সে সময় সাজা-পরোয়ানা ইস্যু করা যায়নি। ২০২4 সালে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে; চলতি বছরের জুনে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ফলে ট্রাইব্যুনাল‑৫ এখন আনুষ্ঠানিক ভাবে সাজা-পরোয়ানা জারি করল, যা দ্রুত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দুই দশক পর ট্রাফিক পুলিশের শাস্তি

আপডেট সময় ১০:৩০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

২০০৬ সালের বাসাবো ঘটনার ধর্ষণ মামলায় পলাতক আসামি ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা মো. আজাদুলের বিরুদ্ধে সাজা-পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল‑৫ এর বিচারক মো. শামছুল ইসলাম। বিষয়টি গতকাল মঙ্গলবার আদালতে ঘোষণা করেন তিনি, নিশ্চিত করেছেন বেঞ্চ সহকারী মো. কামাল হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ময়মনসিংহ থেকে গৃহকাজের উদ্দেশে মামার সঙ্গে ঢাকায় আসা ১২ বছরের এক শিশু ২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে গৃহকর্তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাসা ছেড়ে পালিয়ে যায়। যাত্রাবাড়ী মোড়ে কান্নারত অবস্থায় তাকে দেখতে পান ট্রাফিক কনস্টেবল আজাদুল। ‘মহাখালী পৌঁছে দেব’ বলে বিশ্বাস অর্জন করে তিনি শিশুটিকে নিজ বাসায় নিয়ে যান এবং টানা নয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। পরে এলাকার মানুষের খবর পেয়ে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রীরা শিশুটিকে উদ্ধার করেন। ওই বছরের ১৯ এপ্রিল সবুজবাগ থানায় ধর্ষণের মামলা করেন ভুক্তভোগী।

আরও পড়ুন  সম্পদের হিসাব না দেওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

২০১৮ সালে ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ তানজিনা ঈসমাইল মামলার রায় দেন—আজাদুলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, যার অর্ধেক ভুক্তভোগীকে দিতে নির্দেশনা ছিল। কিন্তু আসামি পলাতক থাকায় সে সময় সাজা-পরোয়ানা ইস্যু করা যায়নি। ২০২4 সালে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে; চলতি বছরের জুনে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ফলে ট্রাইব্যুনাল‑৫ এখন আনুষ্ঠানিক ভাবে সাজা-পরোয়ানা জারি করল, যা দ্রুত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।