ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

পটুয়াখালীতে ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকার অবৈধ চিংড়ির রেণু জব্দ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 501

ছবি সংগৃহীত

 

 

পটুয়াখালীর টেংরাখালীতে কোস্টগার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে প্রায় ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা মূল্যের এক কোটি ৫৫ লাখ পিস অবৈধ চিংড়ির রেণু জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ।

আরও পড়ুন  পটুয়াখালীতে মুগডালের বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকট ও তাপদাহে মুগডাল সংগ্রহে হিমশিম কৃষক

তিনি জানান, ভোরের দিকে কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী ও মৎস্য অধিদপ্তরের একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালায়। এ সময় টেংরাখালী পুরাতন বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহভাজন একটি ট্রাক তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেণু জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

জানা যায়, ট্রাকটি কুয়াকাটা থেকে বাগেরহাটের দিকে যাচ্ছিল। তবে অবৈধ রেণুর প্রকৃত মালিকের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। আটক ট্রাকচালককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পরে জব্দকৃত চিংড়ির রেণুগুলো উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে লোহালিয়া নদীতে অবমুক্ত করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২৪ ঘণ্টা টহল অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে এসব অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।’ তিনি জানান, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরালোভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ চিংড়ির রেণু পাচার ও পরিবহন রোধে কোস্টগার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অবৈধ রেণু আহরণ ও বিপণন সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এ কারণে সরকারের পক্ষ থেকে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অভিযানে কোস্টগার্ড সদস্যদের পাশাপাশি মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। অভিযানকালে স্থানীয়দের সহযোগিতাও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

পটুয়াখালীতে ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকার অবৈধ চিংড়ির রেণু জব্দ

আপডেট সময় ০৩:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

পটুয়াখালীর টেংরাখালীতে কোস্টগার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে প্রায় ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা মূল্যের এক কোটি ৫৫ লাখ পিস অবৈধ চিংড়ির রেণু জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ।

আরও পড়ুন  পটুয়াখালীতে মুগডালের বাম্পার ফলন, শ্রমিক সংকট ও তাপদাহে মুগডাল সংগ্রহে হিমশিম কৃষক

তিনি জানান, ভোরের দিকে কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী ও মৎস্য অধিদপ্তরের একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালায়। এ সময় টেংরাখালী পুরাতন বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহভাজন একটি ট্রাক তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেণু জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

জানা যায়, ট্রাকটি কুয়াকাটা থেকে বাগেরহাটের দিকে যাচ্ছিল। তবে অবৈধ রেণুর প্রকৃত মালিকের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। আটক ট্রাকচালককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পরে জব্দকৃত চিংড়ির রেণুগুলো উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে লোহালিয়া নদীতে অবমুক্ত করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ২৪ ঘণ্টা টহল অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে এসব অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।’ তিনি জানান, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরালোভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ চিংড়ির রেণু পাচার ও পরিবহন রোধে কোস্টগার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অবৈধ রেণু আহরণ ও বিপণন সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এ কারণে সরকারের পক্ষ থেকে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অভিযানে কোস্টগার্ড সদস্যদের পাশাপাশি মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। অভিযানকালে স্থানীয়দের সহযোগিতাও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।