ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

শিগগিরই গুম প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করা হবে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / 239

ছবি সংগৃহীত

 

গুম প্রতিরোধে খুব শিগগিরই আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার এ কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, এ আইনের মাধ্যমে গুমের মতো ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘কমনওয়েলথ চার্টার ওয়ার্কশপ’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনী, দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণের উদ্যোগ: আইন উপদেষ্টা

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যেই গুম প্রতিরোধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে গুম, নির্যাতন এবং নিখোঁজের মতো অপরাধগুলো নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ হবে।” তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় এই আইন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।

জুলাই-আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। বরং এটি ছিল গুম, হত্যা, অনাচার, অবিচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের একটি গণজাগরণ।” তিনি বলেন, তরুণরা তাদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আর সেটি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।

ফৌজদারি কার্যবিধি যুগোপযোগী করতে সরকারের চলমান উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন আইন উপদেষ্টা। তিনি জানান, “বর্তমান সমাজ ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) সংস্কারের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে খসড়া প্রস্তাবনা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইনি সংস্কার এবং নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন আরও শক্তিশালী হবে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা পাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট আইনবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। সবাই নতুন আইনের প্রস্তাবনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

এমন উদ্যোগে দেশে গুমের ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশা করছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিগগিরই গুম প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করা হবে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:৪৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

 

গুম প্রতিরোধে খুব শিগগিরই আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার এ কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, এ আইনের মাধ্যমে গুমের মতো ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘কমনওয়েলথ চার্টার ওয়ার্কশপ’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, পেছানোর সুযোগ নেই : আইন উপদেষ্টা

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যেই গুম প্রতিরোধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে করে গুম, নির্যাতন এবং নিখোঁজের মতো অপরাধগুলো নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ হবে।” তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় এই আইন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।

জুলাই-আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। বরং এটি ছিল গুম, হত্যা, অনাচার, অবিচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের একটি গণজাগরণ।” তিনি বলেন, তরুণরা তাদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আর সেটি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।

ফৌজদারি কার্যবিধি যুগোপযোগী করতে সরকারের চলমান উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন আইন উপদেষ্টা। তিনি জানান, “বর্তমান সমাজ ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) সংস্কারের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে খসড়া প্রস্তাবনা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইনি সংস্কার এবং নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন আরও শক্তিশালী হবে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা পাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট আইনবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। সবাই নতুন আইনের প্রস্তাবনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

এমন উদ্যোগে দেশে গুমের ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশা করছেন সচেতন মহল।