ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 509

ছবি সংগৃহীত

 

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের অবস্থান নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়ার ঘটনায় নিজের বক্তব্য সংশোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি দাবি করেছেন, তার বক্তব্যকে “ভুলভাবে ব্যাখ্যা” করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে বিষয়টি পরিষ্কার করেই সংশোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) লন্ডনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম, একজন ব্রিটিশ এমপি বলেছিলেন স্টারমার সম্ভবত কানাডায় আছেন। এটাই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সত্যি বলতে, এটা আমার পক্ষ থেকে একটি ভুল হয়েছে।”

আরও পড়ুন  নির্বাচনের আগে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে: উপ-প্রেস সচিব

তিনি আরও বলেন, “পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তা আমরা সংশোধন করেছি। প্রধানমন্ত্রী এখনও যুক্তরাজ্যেই আছেন।”

মঙ্গলবার (১০ জুন) বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম বলেছিলেন, “আমাদের তথ্য অনুযায়ী, কিয়ার স্টারমার বর্তমানে কানাডায় রয়েছেন। আজ এক ব্রিটিশ এমপি আমাদের এই তথ্য দিয়েছেন।”

তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকেরা তথ্যটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

‘দ্য গার্ডিয়ান’ ও ‘দ্য টাইমস’-এর খবরে দেখা যায়, স্টারমার তখনও যুক্তরাজ্যেই ছিলেন। এমনকি তিনি ওইদিন পার্লামেন্টে বক্তব্য দেন এবং কয়েকটি সরকারিভাবেও আয়োজিত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এই বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্যের পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন শফিকুল আলম।

কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র হয়ে স্টারমারের অবস্থান না জানাটা দুর্ভাগ্যজনক।”

যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক সাবির মোস্তফা বলেন, “কিয়ার স্টারমার এখন লন্ডনেই আছেন। আজ সকালেও হাউস অব কমন্সে ছিলেন।”

একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন: “রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক রাস্তায় হঠাৎ দেখা হওয়া নয়। এটি পরিকল্পিত ও আগেই চূড়ান্ত হয়।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে যুক্তরাজ্য সফরে রয়েছেন। এই সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের আলোচনা চলছিল বলেও জানানো হয়েছিল। তবে ওই বৈঠক আদৌ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শফিকুল আলম তার মন্তব্যে ভুল স্বীকার করলেও ঘটনাটি সরকারের যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশ্ন তুলেছে। সরকারের মুখপাত্র হিসেবে এমন তথ্যভিত্তিক ভুলকে অনেকেই “দায়িত্বজ্ঞানহীনতা” হিসেবেই দেখছেন।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

আপডেট সময় ০৫:৪২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

 

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের অবস্থান নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়ার ঘটনায় নিজের বক্তব্য সংশোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি দাবি করেছেন, তার বক্তব্যকে “ভুলভাবে ব্যাখ্যা” করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে বিষয়টি পরিষ্কার করেই সংশোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) লন্ডনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম, একজন ব্রিটিশ এমপি বলেছিলেন স্টারমার সম্ভবত কানাডায় আছেন। এটাই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সত্যি বলতে, এটা আমার পক্ষ থেকে একটি ভুল হয়েছে।”

আরও পড়ুন  শৃঙ্খলাহীন বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে: প্রেস সচিব

তিনি আরও বলেন, “পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তা আমরা সংশোধন করেছি। প্রধানমন্ত্রী এখনও যুক্তরাজ্যেই আছেন।”

মঙ্গলবার (১০ জুন) বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম বলেছিলেন, “আমাদের তথ্য অনুযায়ী, কিয়ার স্টারমার বর্তমানে কানাডায় রয়েছেন। আজ এক ব্রিটিশ এমপি আমাদের এই তথ্য দিয়েছেন।”

তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকেরা তথ্যটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

‘দ্য গার্ডিয়ান’ ও ‘দ্য টাইমস’-এর খবরে দেখা যায়, স্টারমার তখনও যুক্তরাজ্যেই ছিলেন। এমনকি তিনি ওইদিন পার্লামেন্টে বক্তব্য দেন এবং কয়েকটি সরকারিভাবেও আয়োজিত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

এই বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্যের পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন শফিকুল আলম।

কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র হয়ে স্টারমারের অবস্থান না জানাটা দুর্ভাগ্যজনক।”

যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক সাবির মোস্তফা বলেন, “কিয়ার স্টারমার এখন লন্ডনেই আছেন। আজ সকালেও হাউস অব কমন্সে ছিলেন।”

একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন: “রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক রাস্তায় হঠাৎ দেখা হওয়া নয়। এটি পরিকল্পিত ও আগেই চূড়ান্ত হয়।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে যুক্তরাজ্য সফরে রয়েছেন। এই সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের আলোচনা চলছিল বলেও জানানো হয়েছিল। তবে ওই বৈঠক আদৌ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শফিকুল আলম তার মন্তব্যে ভুল স্বীকার করলেও ঘটনাটি সরকারের যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার ওপর প্রশ্ন তুলেছে। সরকারের মুখপাত্র হিসেবে এমন তথ্যভিত্তিক ভুলকে অনেকেই “দায়িত্বজ্ঞানহীনতা” হিসেবেই দেখছেন।