ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজায় স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা: নারী ও শিশুসহ নিহত অন্তত ১০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 436

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় আবারও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এবার হামলার লক্ষ্য ছিল একটি স্কুল ভবন, যেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

সোমবার (১২ মে) স্থানীয় সময় রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলার এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।

আরও পড়ুন  ইরানের বুশেহর পারমাণবিক কমপ্লেক্সের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলা

সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, গাজার জাবালিয়া শহরের ফাতিমা বিনতে আসাদ নামক একটি স্কুল ভবনে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। সেখানে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবারগুলোর অনেক সদস্য আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাতের আঁধারে চালানো এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারান এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।

তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে এই হামলাকে ‘চরম অমানবিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় অধিকারকর্মীরা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলের হামলা তীব্রতর হয়েছে। হাসপাতালে, স্কুলে ও শরণার্থী শিবিরেও একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক মহলে বারবার আহ্বান জানানো হলেও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে কোনও বিরতি দেখা যাচ্ছে না।

এ ধরনের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিরীহ বেসামরিক জনগণ। বিশেষ করে শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে এবং বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা বন্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে।

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটময় হয়ে উঠছে। সীমিত চিকিৎসা সুবিধা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে এলাকাবাসী মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

বহু পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাহত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা: নারী ও শিশুসহ নিহত অন্তত ১০

আপডেট সময় ০৭:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় আবারও ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এবার হামলার লক্ষ্য ছিল একটি স্কুল ভবন, যেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ। হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

সোমবার (১২ মে) স্থানীয় সময় রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলার এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।

আরও পড়ুন  নতুন হামলায় গাজায় নিহত ৭৭ ফিলিস্তিনি: নিরাপত্তাহীনতা চরমে

সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, গাজার জাবালিয়া শহরের ফাতিমা বিনতে আসাদ নামক একটি স্কুল ভবনে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। সেখানে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবারগুলোর অনেক সদস্য আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাতের আঁধারে চালানো এ হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারান এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।

তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে এই হামলাকে ‘চরম অমানবিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও স্থানীয় অধিকারকর্মীরা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলের হামলা তীব্রতর হয়েছে। হাসপাতালে, স্কুলে ও শরণার্থী শিবিরেও একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক মহলে বারবার আহ্বান জানানো হলেও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে কোনও বিরতি দেখা যাচ্ছে না।

এ ধরনের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিরীহ বেসামরিক জনগণ। বিশেষ করে শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে এবং বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা বন্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে।

গাজার পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটময় হয়ে উঠছে। সীমিত চিকিৎসা সুবিধা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে এলাকাবাসী মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

বহু পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাহত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা।