ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 387

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস বৃহস্পতিবার, ৮ মে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে। থ্যালাসেমিয়া রোগ এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ৮ মে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি উদযাপন করা হয়।

এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘থ্যালাসেমিয়ার জন্য সামাজিক ঐক্য গড়ি, রোগীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করি’ এবং এ উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি বাণী দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  অসহায় রোগীদের চিকিৎসায় ২০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ

বিশেষজ্ঞদের মতে, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। মানবকোষে রক্ত তৈরির জন্য দুটি জিন থাকে। যদি একটি জিনে ত্রুটি থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি থ্যালাসেমিয়া বাহক হিসেবে পরিচিত। দুই জিনেই ত্রুটি থাকলে তাকে থ্যালাসেমিয়া রোগী বলা হয়। সব বাহকই রোগীর পর্যায়ে পৌঁছান না। শিশু জন্মের এক থেকে দুই বছরের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগ ধরা পড়ে। রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, ঘন ঘন রোগসংক্রমণ, শিশুর ওজন না বাড়া, জন্ডিস এবং খিটখিটে মেজাজ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১১.৪ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। ২০১৪-১৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ৭ থেকে ৮ শতাংশ। দেশে বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ২,৭২৫ জন, ২০১৯ সালে ৩,০৯৮ জন, ২০২০ সালে ৩,৪১৬ জন, ২০২১ সালে ৪,৯৪১ জন, ২০২২ সালে ৬,০৫ জন, ২০২৩ সালে ৭,০২২ জন এবং ২০২৪ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৭,৫১১ জন। প্রতিবছর ৬ থেকে ৭ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস

আপডেট সময় ১১:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস বৃহস্পতিবার, ৮ মে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে। থ্যালাসেমিয়া রোগ এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ৮ মে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি উদযাপন করা হয়।

এ বছরের দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘থ্যালাসেমিয়ার জন্য সামাজিক ঐক্য গড়ি, রোগীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করি’ এবং এ উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি বাণী দিয়েছেন।

আরও পড়ুন  থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্মূলে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ বাণিজ্য উপদেষ্টার

বিশেষজ্ঞদের মতে, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। মানবকোষে রক্ত তৈরির জন্য দুটি জিন থাকে। যদি একটি জিনে ত্রুটি থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি থ্যালাসেমিয়া বাহক হিসেবে পরিচিত। দুই জিনেই ত্রুটি থাকলে তাকে থ্যালাসেমিয়া রোগী বলা হয়। সব বাহকই রোগীর পর্যায়ে পৌঁছান না। শিশু জন্মের এক থেকে দুই বছরের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগ ধরা পড়ে। রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, ঘন ঘন রোগসংক্রমণ, শিশুর ওজন না বাড়া, জন্ডিস এবং খিটখিটে মেজাজ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১১.৪ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। ২০১৪-১৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ৭ থেকে ৮ শতাংশ। দেশে বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে।

বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ২,৭২৫ জন, ২০১৯ সালে ৩,০৯৮ জন, ২০২০ সালে ৩,৪১৬ জন, ২০২১ সালে ৪,৯৪১ জন, ২০২২ সালে ৬,০৫ জন, ২০২৩ সালে ৭,০২২ জন এবং ২০২৪ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৭,৫১১ জন। প্রতিবছর ৬ থেকে ৭ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে।