ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ঢাকায় এসে আমি খুশি: পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 390

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকায় পৌঁছে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ। বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, “ঢাকায় এসে আমি খুশি।” সফরের শুরুতেই তার এ মন্তব্য দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগে বুধবার দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান আমনা বালুচ। তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহান।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানে ভারতের হামলায় শতাধিক জঙ্গি নিহত হয়েছে: সর্বদলীয় বৈঠকে দাবি রাজনাথের

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যকার কিছুটা স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গতি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রায় ১৫ বছর পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ–পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি এপ্রিল মাসের শেষদিকে ঢাকা সফর করতে পারেন। তার সেই সফরকে ঘিরে আলোচনার এ সফরকে প্রস্তুতিমূলক ধাপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সফরকালীন বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি কার্যকর ও গঠনমূলক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। অতীতের কিছু অমীমাংসিত বিষয় থাকা সত্ত্বেও সময়ের প্রেক্ষাপটে বাস্তবমুখী ও ভবিষ্যতমুখী কূটনৈতিক অবস্থান গ্রহণের দিকে ঝুঁকছে উভয় দেশ। দুই পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহানুভূতির ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী।

এ সফর ও বৈঠকগুলোর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্ধ দ্বার খুলে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন রূপ পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকায় এসে আমি খুশি: পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব

আপডেট সময় ০৭:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

ঢাকায় পৌঁছে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ। বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি বলেন, “ঢাকায় এসে আমি খুশি।” সফরের শুরুতেই তার এ মন্তব্য দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এর আগে বুধবার দুপুরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান আমনা বালুচ। তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক ইশরাত জাহান।

আরও পড়ুন  সুপার এইটের লড়াইয়ে আজ পাকিস্তানের বাঁচা-মরার ম্যাচ

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যকার কিছুটা স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন করে গতি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রায় ১৫ বছর পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ–পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি এপ্রিল মাসের শেষদিকে ঢাকা সফর করতে পারেন। তার সেই সফরকে ঘিরে আলোচনার এ সফরকে প্রস্তুতিমূলক ধাপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সফরকালীন বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি কার্যকর ও গঠনমূলক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। অতীতের কিছু অমীমাংসিত বিষয় থাকা সত্ত্বেও সময়ের প্রেক্ষাপটে বাস্তবমুখী ও ভবিষ্যতমুখী কূটনৈতিক অবস্থান গ্রহণের দিকে ঝুঁকছে উভয় দেশ। দুই পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহানুভূতির ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী।

এ সফর ও বৈঠকগুলোর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্ধ দ্বার খুলে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন রূপ পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।