ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
উল্টোপথে গাড়ি চালানোর অভিযোগে মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই

বাংলাদেশে আসছে ৯০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে স্টারলিংক ইন্টারনেট: বাণিজ্যিক সম্প্রচারে বড় অগ্রগতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫
  • / 525

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশে স্যাটেলাইটভিত্তিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংক’ আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, মার্চ মাসেই ড. ইউনূস স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনার আলোকে এখন দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ

স্টারলিংক ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে অংশ নিচ্ছে। তবে বাণিজ্যিকভাবে সেবা শুরু হলে, বাংলাদেশ সরকারের এনজিএসও (Non-Geostationary Satellite Orbit) নীতিমালা অনুসরণ করে কোম্পানিটিকে স্থানীয় ব্রডব্যান্ড গেটওয়ে বা আইআইজি ব্যবহার করতে হবে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন ২৩ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আগামী ৯ এপ্রিল থেকে দেশের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে স্টারলিংক ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হবে। এটি মূলত একটি প্রাথমিক ধাপ, যার মাধ্যমে সেবার কার্যকারিতা, গতি ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা হবে।

এর আগেই, ৮ মার্চ প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, স্টারলিংকের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন। এই সফরের মাধ্যমে স্টারলিংক দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিক চুক্তি সম্পন্ন করেছে, যাতে সেবা চালুর প্রস্তুতি আরও মজবুত হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্টারলিংক ইন্টারনেট চালু হলে দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছাবে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশন বাস্তবায়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ই-কমার্স ও টেলিমেডিসিন খাতে এই সেবা হবে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পথিকৃৎ।

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে এই অগ্রগতি দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে আসছে ৯০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে স্টারলিংক ইন্টারনেট: বাণিজ্যিক সম্প্রচারে বড় অগ্রগতি

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ ২০২৫

 

বাংলাদেশে স্যাটেলাইটভিত্তিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংক’ আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, মার্চ মাসেই ড. ইউনূস স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনার আলোকে এখন দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান ঘনিষ্ঠতায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রধান

স্টারলিংক ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে অংশ নিচ্ছে। তবে বাণিজ্যিকভাবে সেবা শুরু হলে, বাংলাদেশ সরকারের এনজিএসও (Non-Geostationary Satellite Orbit) নীতিমালা অনুসরণ করে কোম্পানিটিকে স্থানীয় ব্রডব্যান্ড গেটওয়ে বা আইআইজি ব্যবহার করতে হবে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন ২৩ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আগামী ৯ এপ্রিল থেকে দেশের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে স্টারলিংক ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হবে। এটি মূলত একটি প্রাথমিক ধাপ, যার মাধ্যমে সেবার কার্যকারিতা, গতি ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করা হবে।

এর আগেই, ৮ মার্চ প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, স্টারলিংকের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন। এই সফরের মাধ্যমে স্টারলিংক দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিক চুক্তি সম্পন্ন করেছে, যাতে সেবা চালুর প্রস্তুতি আরও মজবুত হয়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, স্টারলিংক ইন্টারনেট চালু হলে দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছাবে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশন বাস্তবায়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ই-কমার্স ও টেলিমেডিসিন খাতে এই সেবা হবে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের পথিকৃৎ।

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে এই অগ্রগতি দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।