সুপারকম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষে চীন
- আপডেট সময় ০১:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
- / 23
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত সর্বশেষ ‘টপ৫০০’ র্যাংকিংয়ে চীনের শেনজেনে অবস্থিত ‘লাইনশাইন’ সুপারকম্পিউটারকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।
এর আগে তালিকার শীর্ষ অবস্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘এল ক্যাপিটান’ সুপারকম্পিউটার। নতুন র্যাংকিংয়ে সেটি দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে।
‘টপ৫০০’ প্রকল্পের বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, চীনের ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং সেন্টারে থাকা ‘লাইনশাইন’ ২ দশমিক ১৯৮ এক্সাফ্লপস কর্মক্ষমতা অর্জন করেছে। অর্থাৎ, এটি প্রতি সেকেন্ডে ২ কুইন্টিলিয়নেরও বেশি গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম।
র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত মার্কিন সরকারের ‘এল ক্যাপিটান’। তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি ও ইলিনয়ের জাতীয় গবেষণাগারে পরিচালিত আরও দুটি সুপারকম্পিউটার।
অন্যদিকে, জার্মানির ‘জুপিটার’ সুপারকম্পিউটার তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে। বর্তমানে এই পাঁচটিই বিশ্বের প্রকাশ্যে যাচাইকৃত ‘এক্সাস্কেল’ শ্রেণির সুপারকম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃত।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে ‘লাইনশাইন’ অন্য অনেক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সুপারকম্পিউটারের তুলনায় আলাদা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অধিকাংশ আধুনিক সুপারকম্পিউটার যেখানে গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ) ব্যবহার করে, সেখানে ‘লাইনশাইন’ সম্পূর্ণভাবে প্রচলিত সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (সিপিইউ) নির্ভর স্থাপনায় পরিচালিত হয়।
‘টপ৫০০’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই সুপারকম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রায় ৪২ দশমিক ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। ফলে উচ্চগতির গণনাশক্তির পাশাপাশি শক্তি ব্যবস্থাপনাও এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


























