ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

এআই দিয়ে আসামি শনাক্ত করলো পুলিশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
  • / 711

ছবি সংগৃহীত

 

এআই ব্যবহার করে আসামী শনাক্ত করেছে পুুলিশ। রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন ভবনে বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির অফিসে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছিল। সমিতির অফিসে থাকা নথিপত্র ধ্বংস করতেই এই আগুন লাগানো হয়। পিবিআইয়ের স্পেশাল টিম এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামী সানাক্ত করে।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর কল্যাণপুরে পিবিআইয়ের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন (এসআইঅ্যান্ডও) ইউনিটের (উত্তর) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়। পিবিআইয়ের বিশেষায়িত এই ইউনিটের পুলিশ কমিশনার মো. আবদুর রহমান এই সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় এসআইঅ্যান্ডওর (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থোয়াইঅংপ্রু মারমা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বিয়াম ফাউন্ডেশনের ৫০৪ নম্বর কক্ষে বিস্ফোরণ ঘটে। কক্ষটিতে বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির অফিস ছিল। বিস্ফোরণে কক্ষে থাকা সমিতির নানা নথি (দলিল, নামজারির কাগজ, জমি কেনার চুক্তিপত্র), ব্যাংক হিসাবের চেকবই, ইলেকট্রনিকসামগ্রী, আসবাবপত্র, শীততাপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র প্রভৃতি পুড়ে যায়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান অফিস সহায়ক আবদুল মালেক। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সমিতির সাধারণ সম্পাদকের গাড়িচালক মো. ফারুক। প্রাথমিকভাবে পুলিশ বলেছিল, শীততাপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত সচিব মশিউর রহমান বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে পিবিআইয়ের বিশেষায়িত ইউনিট। প্রায় দুই মাসের তদন্ত শেষে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন  গাজায় পুলিশ চেকপয়েন্টে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ৬

সংবাদ সম্মেলনে আবদুর রহমান বলেন, পিবিআই এই ঘটনার ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, সেদিন রাতে মাথায় মাস্কিংক্যাপ, মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস আর পায়ে স্যান্ডেল পরা অবস্থায় এক ব্যক্তি বিয়াম ভবনের পাঁচতলায় ঘটনাস্থলে যান। তিনি সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেন। পিবিআই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে এই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে। তাঁর নাম আশরাফুল ইসলাম। আশরাফুলকে কুড়িগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার বিস্তারিত জানা যায়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে বিয়ামের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এআই দিয়ে আসামি শনাক্ত করলো পুলিশ

আপডেট সময় ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

 

এআই ব্যবহার করে আসামী শনাক্ত করেছে পুুলিশ। রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন ভবনে বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির অফিসে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছিল। সমিতির অফিসে থাকা নথিপত্র ধ্বংস করতেই এই আগুন লাগানো হয়। পিবিআইয়ের স্পেশাল টিম এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামী সানাক্ত করে।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর কল্যাণপুরে পিবিআইয়ের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন (এসআইঅ্যান্ডও) ইউনিটের (উত্তর) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়। পিবিআইয়ের বিশেষায়িত এই ইউনিটের পুলিশ কমিশনার মো. আবদুর রহমান এই সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় এসআইঅ্যান্ডওর (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থোয়াইঅংপ্রু মারমা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বিয়াম ফাউন্ডেশনের ৫০৪ নম্বর কক্ষে বিস্ফোরণ ঘটে। কক্ষটিতে বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির অফিস ছিল। বিস্ফোরণে কক্ষে থাকা সমিতির নানা নথি (দলিল, নামজারির কাগজ, জমি কেনার চুক্তিপত্র), ব্যাংক হিসাবের চেকবই, ইলেকট্রনিকসামগ্রী, আসবাবপত্র, শীততাপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র প্রভৃতি পুড়ে যায়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই মারা যান অফিস সহায়ক আবদুল মালেক। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সমিতির সাধারণ সম্পাদকের গাড়িচালক মো. ফারুক। প্রাথমিকভাবে পুলিশ বলেছিল, শীততাপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত সচিব মশিউর রহমান বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে পিবিআইয়ের বিশেষায়িত ইউনিট। প্রায় দুই মাসের তদন্ত শেষে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন  ফোনে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার চার সন্তানের জননী, গ্রেপ্তার ১

সংবাদ সম্মেলনে আবদুর রহমান বলেন, পিবিআই এই ঘটনার ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, সেদিন রাতে মাথায় মাস্কিংক্যাপ, মুখে মাস্ক, হাতে গ্লাভস আর পায়ে স্যান্ডেল পরা অবস্থায় এক ব্যক্তি বিয়াম ভবনের পাঁচতলায় ঘটনাস্থলে যান। তিনি সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেন। পিবিআই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে এই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে। তাঁর নাম আশরাফুল ইসলাম। আশরাফুলকে কুড়িগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার বিস্তারিত জানা যায়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে বিয়ামের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।