ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

চীনের মহাকাশ প্রশিক্ষণে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ, নতুন যুগের সূচনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 378

ছবি: সংগৃহীত

 

পাকিস্তানের জন্য মহাকাশ গবেষণায় এক ঐতিহাসিক দিগন্ত উন্মোচিত হলো। প্রথম বিদেশি দেশ হিসেবে চীনের মহাকাশ স্টেশনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে পাকিস্তান। গতকাল শুক্রবার পাকিস্তান স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (SUPARCO)-এর পরিচালক শাফাত আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, চীনে প্রশিক্ষণের জন্য দুইজন মহাকাশচারী নির্বাচন করা হবে। এতে শারীরিক সক্ষমতা, পিএইচডি ডিগ্রি, উড়োজাহাজ চালনার অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত দক্ষতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বড় পরিবর্তনের পথে আছি, এজন্য চীনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — ড. ইউনূস

শাফাত আলী একে ‘মাইলফলক’ মন্তব্য করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে পাকিস্তানি মহাকাশচারীরা সরাসরি চীনা প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

চীনের মহাকাশ প্রশিক্ষণ এতদিন শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব নাগরিকদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। এবার প্রথমবারের মতো এই দ্বার উন্মুক্ত হলো পাকিস্তানের জন্য, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করল।

তিনি বলেন, “চীন তার মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির জগতে পাকিস্তানকে যে আস্থা ও অংশীদারিত্বের জায়গা দিয়েছে, তা সত্যিই গর্বের বিষয়। এই উদ্যোগ শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতিই নয়, বরং দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি ভবিষ্যতে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণাকে আরও বেগবান করবে এবং চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহাকাশ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

উল্লেখ্য, চীন ইতোমধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তিয়াংগং নির্মাণ ও পরিচালনায় বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এবার পাকিস্তানকে এই পরিকাঠামোর অংশ করে নেওয়ার মাধ্যমে চীন প্রমাণ করলো—মহাকাশে তারা একা এগোতে চায় না, বরং বন্ধুরা সঙ্গে থাকুক, এটাই তাদের লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের মহাকাশ প্রশিক্ষণে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ, নতুন যুগের সূচনা

আপডেট সময় ১২:০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

 

পাকিস্তানের জন্য মহাকাশ গবেষণায় এক ঐতিহাসিক দিগন্ত উন্মোচিত হলো। প্রথম বিদেশি দেশ হিসেবে চীনের মহাকাশ স্টেশনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে পাকিস্তান। গতকাল শুক্রবার পাকিস্তান স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (SUPARCO)-এর পরিচালক শাফাত আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, চীনে প্রশিক্ষণের জন্য দুইজন মহাকাশচারী নির্বাচন করা হবে। এতে শারীরিক সক্ষমতা, পিএইচডি ডিগ্রি, উড়োজাহাজ চালনার অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত দক্ষতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  চীনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন রাবি শিক্ষার্থী রেদওয়ান ইসলাম রিদয়

শাফাত আলী একে ‘মাইলফলক’ মন্তব্য করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে পাকিস্তানি মহাকাশচারীরা সরাসরি চীনা প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

চীনের মহাকাশ প্রশিক্ষণ এতদিন শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব নাগরিকদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। এবার প্রথমবারের মতো এই দ্বার উন্মুক্ত হলো পাকিস্তানের জন্য, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করল।

তিনি বলেন, “চীন তার মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির জগতে পাকিস্তানকে যে আস্থা ও অংশীদারিত্বের জায়গা দিয়েছে, তা সত্যিই গর্বের বিষয়। এই উদ্যোগ শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতিই নয়, বরং দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি ভবিষ্যতে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণাকে আরও বেগবান করবে এবং চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহাকাশ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

উল্লেখ্য, চীন ইতোমধ্যে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তিয়াংগং নির্মাণ ও পরিচালনায় বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এবার পাকিস্তানকে এই পরিকাঠামোর অংশ করে নেওয়ার মাধ্যমে চীন প্রমাণ করলো—মহাকাশে তারা একা এগোতে চায় না, বরং বন্ধুরা সঙ্গে থাকুক, এটাই তাদের লক্ষ্য।