ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে হুতিদের ব্যালিস্টিক হামলা, মার্কিন রণতরীকেও লক্ষ্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 93

ছবি সংগৃহীত

 

 

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ফের চরমে। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস হ্যারি ট্রুম্যান’ এবং বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

আরও পড়ুন  মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পে ইসরাইলি স্টার্টআপের প্রভাব: সিলিকন ভ্যালির নতুন বিনিয়োগ প্রবণতা

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা একটি ‘ফিলিস্তিন-২’ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছি। এই অভিযান সফল হয়েছে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছেছে।” তিনি আরও জানান, এই হামলা ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরায়েলি নিপীড়নের জবাবে।

তবে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলি সীমান্তে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করেছে। ফলে বেন গুরিয়নে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, হুতি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মার্কিন নৌবহরে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনো এই হামলাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবরও প্রকাশ করেনি পেন্টাগন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হুতিদের এই ধরণের হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও উসকে দিতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুতিদের সরাসরি হামলার এই ধারা রেড সি অঞ্চল ও পারস্য উপসাগরজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

উল্লেখ্য, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের হামলার পরিমাণ বেড়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে হুতিদের ব্যালিস্টিক হামলা, মার্কিন রণতরীকেও লক্ষ্য

আপডেট সময় ০৪:০৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ফের চরমে। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পাশাপাশি, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস হ্যারি ট্রুম্যান’ এবং বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

আরও পড়ুন  নথি ফাঁস: ২০১৯ সালে মার্কিন বাহিনী উত্তর কোরিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেন, “আমরা একটি ‘ফিলিস্তিন-২’ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছি। এই অভিযান সফল হয়েছে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছেছে।” তিনি আরও জানান, এই হামলা ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরায়েলি নিপীড়নের জবাবে।

তবে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলি সীমান্তে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করেছে। ফলে বেন গুরিয়নে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, হুতি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মার্কিন নৌবহরে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনো এই হামলাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবরও প্রকাশ করেনি পেন্টাগন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হুতিদের এই ধরণের হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও উসকে দিতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুতিদের সরাসরি হামলার এই ধারা রেড সি অঞ্চল ও পারস্য উপসাগরজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

উল্লেখ্য, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের হামলার পরিমাণ বেড়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।