ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইসরায়েলের দিকে হুতিদের ব্যালিস্টিক হামলা, লক্ষ্য বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫
  • / 365

ছবি সংগৃহীত

 

ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) ইয়েমেন থেকে ছোঁড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তারা জানায়, তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছিল এই হামলার মূল লক্ষ্য।

শনিবার (২২ মার্চ) ভোরে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি তাদের তৃতীয় আক্রমণ। তিনি আরও দাবি করেন, হুতি যোদ্ধারা লোহিত সাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস হ্যারি এস ট্রুম্যানের দিকেও হামলা চালিয়েছে। তবে এই দাবি প্রমাণসহ তুলে ধরেননি তিনি।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা: “শুধু আক্রমণের মুখেই আলোচনা চলবে এবং এটি কেবল শুরু” বললেন নেতানিয়াহু

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সম্প্রতি ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন বাহিনীর চালানো বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এই পাল্টা আঘাত হুতিদের পক্ষ থেকে আসছে। গত সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুদাইদা ও সানা প্রদেশে বড় ধরনের অভিযান চালায়, যাতে অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়। বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক পদক্ষেপগুলোর একটি।

এই প্রেক্ষাপটে হুতিরা ইসরায়েলের ওপর আক্রমণের মাত্রা আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছে, গাজার ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা জানাতেই তারা এই হামলা চালাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের শেষ দিকে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হুতি যোদ্ধারা লোহিত সাগরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে শতাধিক হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলো শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে না, বিশ্ব বাণিজ্যকেও করছে বিপর্যস্ত।

বিশ্ব সম্প্রদায় এ ধরনের আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে আরও বড় সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলের দিকে হুতিদের ব্যালিস্টিক হামলা, লক্ষ্য বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর

আপডেট সময় ০৩:৫২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

 

ইয়েমেনের হুতি যোদ্ধারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) ইয়েমেন থেকে ছোঁড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তারা জানায়, তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছিল এই হামলার মূল লক্ষ্য।

শনিবার (২২ মার্চ) ভোরে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি তাদের তৃতীয় আক্রমণ। তিনি আরও দাবি করেন, হুতি যোদ্ধারা লোহিত সাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস হ্যারি এস ট্রুম্যানের দিকেও হামলা চালিয়েছে। তবে এই দাবি প্রমাণসহ তুলে ধরেননি তিনি।

আরও পড়ুন  হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজে হামলা হবে না: ইরান

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সম্প্রতি ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন বাহিনীর চালানো বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এই পাল্টা আঘাত হুতিদের পক্ষ থেকে আসছে। গত সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের হুদাইদা ও সানা প্রদেশে বড় ধরনের অভিযান চালায়, যাতে অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়। বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক পদক্ষেপগুলোর একটি।

এই প্রেক্ষাপটে হুতিরা ইসরায়েলের ওপর আক্রমণের মাত্রা আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছে, গাজার ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা জানাতেই তারা এই হামলা চালাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের শেষ দিকে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হুতি যোদ্ধারা লোহিত সাগরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে শতাধিক হামলা চালিয়েছে। এই হামলাগুলো শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাকেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে না, বিশ্ব বাণিজ্যকেও করছে বিপর্যস্ত।

বিশ্ব সম্প্রদায় এ ধরনের আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে আরও বড় সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।