ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
  • / 381

ছবি সংগৃহীত

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে ম্যানিলা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি দেশে ফিরলে পুলিশ তাকে আটক করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

হংকং থেকে দেশে ফেরার পরই দুতার্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলমান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুতার্তে তার ক্ষমতা গ্রহণের সময় মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নামে গণহত্যার মতো অপরাধ করেছেন। বিচার বিভাগের এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করবে।

আরও পড়ুন  নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ ২০ জন গ্রেপ্তার

আইসিসি ২০১১ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৬ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দুতার্তের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেয়। এই সময়কালে তিনি ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ডাভাওয়ের মেয়র ও পরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ উঠেছে, তার নেতৃত্বে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো সম্ভবত মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ফিলিপাইন সরকার, বিশেষত বর্তমান প্রেসিডেন্টের কার্যালয়, এ তদন্তের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং বলেছেন যে, তারা আইনের শাসন অনুসরণ করবে। তবে আন্তর্জাতিক মহলে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকরের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, এবং বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে, যেহেতু দুতার্তে নিজেকে কঠোরভাবে মাদকবিরোধী যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে প্রচার করেছিলেন।

এখন দেখা যাবে, আন্তর্জাতিক আদালত কিভাবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করে এবং তার ভবিষ্যৎ শাস্তির বিষয়টি কিভাবে নির্ধারণ হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৩:২৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫

 

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তেকে ম্যানিলা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তিনি দেশে ফিরলে পুলিশ তাকে আটক করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

হংকং থেকে দেশে ফেরার পরই দুতার্তেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা চলমান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুতার্তে তার ক্ষমতা গ্রহণের সময় মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নামে গণহত্যার মতো অপরাধ করেছেন। বিচার বিভাগের এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করবে।

আরও পড়ুন  চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোরচক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার

আইসিসি ২০১১ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৬ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দুতার্তের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেয়। এই সময়কালে তিনি ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ডাভাওয়ের মেয়র ও পরে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ উঠেছে, তার নেতৃত্বে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলো সম্ভবত মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ফিলিপাইন সরকার, বিশেষত বর্তমান প্রেসিডেন্টের কার্যালয়, এ তদন্তের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং বলেছেন যে, তারা আইনের শাসন অনুসরণ করবে। তবে আন্তর্জাতিক মহলে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকরের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, এবং বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে, যেহেতু দুতার্তে নিজেকে কঠোরভাবে মাদকবিরোধী যুদ্ধের প্রতীক হিসেবে প্রচার করেছিলেন।

এখন দেখা যাবে, আন্তর্জাতিক আদালত কিভাবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করে এবং তার ভবিষ্যৎ শাস্তির বিষয়টি কিভাবে নির্ধারণ হয়।