ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আলফ্রেড, সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি সম্মুখীন উপকূলীয় অঞ্চল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫
  • / 523

ছবি সংগৃহীত

 

অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আলফ্রেড, যা দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। প্রবল বাতাস, টানা বৃষ্টি ও উচ্ছ্বাসিত জলোচ্ছ্বাসের ফলে হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া এবং বন্যা সৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি চরম বিপদজ্জনক হয়ে উঠেছে।

ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার, যার কারণে বহু শহর ও গ্রামীণ এলাকার বিপুল ক্ষতি হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় ১০ থেকে ১৫ ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ায় অনেক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে, এবং জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছপালা উপড়ে পড়ায় রাস্তায় চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ফিরলেন লিটন

এ ঘটনায় হাজার হাজার বাড়িঘর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাস্তা ও সেতু ধসে যাওয়ার কারণে বেশ কিছু এলাকায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বিপন্ন মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে এবং জরুরি উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকর্মীরা বন্যায় আটকে পড়া মানুষদের নৌকা ও হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করছে।

অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া বিভাগ সতর্কতা জারি করেছে যে, আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় আরও ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হতে পারে, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় আরও বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। সরকার জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়ে উদ্ধারকর্মী ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত আরও হতে পারে, তাই আরও সতর্কতা ও প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর প্রশাসন, উদ্ধারকর্মী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা চলছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিশ্চিত নয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আলফ্রেড, সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি সম্মুখীন উপকূলীয় অঞ্চল

আপডেট সময় ০১:০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

 

অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় আলফ্রেড, যা দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। প্রবল বাতাস, টানা বৃষ্টি ও উচ্ছ্বাসিত জলোচ্ছ্বাসের ফলে হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া এবং বন্যা সৃষ্টি হওয়ায় পরিস্থিতি চরম বিপদজ্জনক হয়ে উঠেছে।

ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার, যার কারণে বহু শহর ও গ্রামীণ এলাকার বিপুল ক্ষতি হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় ১০ থেকে ১৫ ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়ায় অনেক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে, এবং জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছপালা উপড়ে পড়ায় রাস্তায় চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে আটকা পড়েছে ১৫০ টিরও বেশি তিমি, মারা গেছে ৬০টি

এ ঘটনায় হাজার হাজার বাড়িঘর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। রাস্তা ও সেতু ধসে যাওয়ার কারণে বেশ কিছু এলাকায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বিপন্ন মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে এবং জরুরি উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকর্মীরা বন্যায় আটকে পড়া মানুষদের নৌকা ও হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করছে।

অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া বিভাগ সতর্কতা জারি করেছে যে, আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় আরও ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হতে পারে, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় আরও বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। সরকার জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়ে উদ্ধারকর্মী ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত আরও হতে পারে, তাই আরও সতর্কতা ও প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর প্রশাসন, উদ্ধারকর্মী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা চলছে, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিশ্চিত নয়।